স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৮ এপ্রিল : কালবৈশাখীর দাপটে জুবুথবু রাজ্য। মঙ্গলবার সকালে কালবৈশাখী ঝড়ে কেউ আহত হওয়ার খবর নেই জেলা প্রশাসনের কাছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার অতিরিক্ত জেলা শাসক অরূপ দেব। তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার অন্তর্গত সদর মহকুমা, জিরানিয়া মহাকুমা এবং মোহনপুর মহাকুমায় কেউ আহত হয়নি। সদর মহাকুমার ২৪ টি জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছিল। মোহনপুর মহকুমায় ব্রহ্মকুণ্ড এলাকায় একটি গাছ ভেঙে পড়েছিল।
সঙ্গে সঙ্গে সেখানে হচ্ছে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা গাছ সরিয়ে রাস্তাঘাট পরিষ্কার করে। এদিকে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, ফের সতর্ক করলো আবহাওয়া দপ্তর। আগামী ২৪ ঘণ্টা ভারী বর্ষণের সর্তকতা খোয়াই জেলা এবং পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায়। পাশাপাশি তিন দিন বৃষ্টিপাতের সর্তকতা জারি করা হয়েছে। জানা যায়, ত্রিপুরার খোয়াই ও পশ্চিম জেলার এক বা দুটি স্থানে বজ্রপাত সহ ঝড়ো হাওয়া এবং ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া/ঝড়ো বাতাস বয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে খোয়াই ও পশ্চিম জেলার এক বা দুটি স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত (৭-২০ সেমি) হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ২৯ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত ত্রিপুরার বাকি জেলাগুলির এক, দুটি স্থানে বজ্রপাত সহ ঝড়ো হাওয়া এবং ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
ত্রিপুরার বাকি জেলাগুলির এক, দুটি স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত (৭-২০ সেমি) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ত্রিপুরার সমস্ত জেলার এক বা দুটি স্থানে বজ্রপাত সহ ঝড়ো হাওয়া এবং ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা/ঝড়ো বাতাস বয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ত্রিপুরার উত্তর, উনাকোটি, ধলাই, খোয়াই ও পশ্চিম জেলার এক বা দুটি স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত (৭-২০ সেমি) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ত্রিপুরার বাকি জেলাগুলির এক বা দুটি স্থানে ভারী বৃষ্টিপাত (৭-১১ সেমি) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

