Saturday, August 8, 2026
বাড়ি রাজ্য শিক্ষিকার কারণে ছাত্রীর ভবিষ্যৎ অন্ধকার, বিচার চাইলেন ছাত্রী!

শিক্ষিকার কারণে ছাত্রীর ভবিষ্যৎ অন্ধকার, বিচার চাইলেন ছাত্রী!

শিক্ষিকার কারণে ছাত্রীর ভবিষ্যৎ অন্ধকার, বিচার চাইলেন ছাত্রী!

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২০ মার্চ : শিক্ষার মন্দির বলে পরিচিত বিদ্যালয় যখন অনিয়মের আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়, তখন সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয় নিরীহ ছাত্র-ছাত্রীদের। এমনই এক অনাঙ্ক্ষিত এবং শিক্ষাগুরুদের কর্তব্যে চরম গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে সাব্রুম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্রকে ঘিরে। জানা গেছে, দোলবারি হাই স্কুলের ছাত্রী রিয়া মগ মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থী হিসেবে এই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসে। চারটি পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও শেষ দিনের অংক পরীক্ষায় ঘটে ঘোর বিপত্তি।

 রিয়া মগ নামে ওই পরীক্ষার্থীকে স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্নপত্র দেওয়ার কথা থাকলেও তাকে দেওয়া হয় বেসিকের প্রশ্ন। যদিও কর্মরত শিক্ষিকা নিজের ভুল ধরতে পারেন। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ১৫ মিনিট আগে সেই ছাত্রীর কাছ থেকে প্রশ্নপত্র ও তার খাতা ছিনিয়ে নেয়। অভিযোগ, পরীক্ষা কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্তদের চরম অবহেলার কারণে সে সঠিকভাবে পরীক্ষা দিতে পারেনি। যার ফলে তার ফলাফল শূন্য হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, পরীক্ষার সময় সেন্টার সুপারভাইজার প্রণব দাসের উদাসীনতা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শিক্ষিকা সাব্রুমের পি এম শ্রী বালিকা বিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষিকা সুতপা পালের কর্তব্যহীনতা পুরো পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলে।

 অভিযোগ উঠেছে, দায়িত্বে থাকা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একাংশ পরীক্ষার নিয়ম মানার পরিবর্তে অবহেলা প্রদর্শন করেছেন। পরীক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক শিক্ষিকা কখনোই পরীক্ষার্থীর প্রশ্নপত্র ছিনিয়ে নিতে পারে না। রিয়া মগ্নামের এই ছাত্রের যেখানে স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেওয়ার কথা সেখানে  বাসিকের প্রশ্নপত্র তার হাতে তুলে দিয়ে তার ভবিষ্যৎ কেউ একপ্রকার অন্ধকারের মুখে ঠেলে দিয়েছে পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক-শিক্ষিকারা। হয়তো ভবিষ্যতে সে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করতে চেয়েছিল তাই সে স্ট্যান্ডার্ড টাকে বেছে নিয়েছিল। স্ট্যান্ডার্ড এর পরিবর্তে তার হাতে বেসিকের প্রশ্নপত্র তুলে  দেওয়ায় তার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনার স্বপ্নকেও গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। এর দায় নিতে হবে পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। এ নিয়ে রাজ্যের শিক্ষা মহলেও চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha