Friday, August 7, 2026
বাড়ি রাজ্য টিপিএসসি -র চেয়ারম্যানের পর আবারো কলঙ্কিত রাজ্যে, জেলা ভোক্তা আদালতের প্রেসিডেন্টকে অপসারণের দাবিতে লঙ্কাকান্ড

টিপিএসসি -র চেয়ারম্যানের পর আবারো কলঙ্কিত রাজ্যে, জেলা ভোক্তা আদালতের প্রেসিডেন্টকে অপসারণের দাবিতে লঙ্কাকান্ড

টিপিএসসি -র চেয়ারম্যানের পর আবারো কলঙ্কিত রাজ্যে, জেলা ভোক্তা আদালতের প্রেসিডেন্টকে অপসারণের দাবিতে লঙ্কাকান্ড

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা।১৭ জানুয়ারি:  টিপিএসসি -র চেয়ারম্যানের পর আবারো কলঙ্কের দাগ রাজ্যে! মদ পানের অভিযোগে জেলা ভোক্তা আদালতের প্রেসিডেন্ট গৌতম সরকারের বিরুদ্ধে। অপসারণের দাবিতে হুলুস্থুল কান্ড কারখানা তৈরি হলো শনিবার। রীতিমত শোরগোল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এদিন। ভোক্তা আদালতে বিক্ষোভে শামিল হন একটা বৃহৎ অংশের কর্মীরা। তাদের অভিযোগ প্রিন্সিপাল গৌতম সরকার প্রতিদিন মদমত্ত অবস্থায় আদালতে আসেন। আদালতে এসে তিনি সহকর্মীদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। অত্যন্ত অপমান করেন।

 যার কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে আছেন কর্মীরা। তাদের মধ্যে থাকা প্রাইভেট সেক্রেটারি বলেন, প্রেসিডেন্ট গৌতম সরকারের পাশে বসে কাজ করতে গিয়ে তাঁর অসুস্থ হয়ে পড়ার মতো অবস্থা। মদের গন্ধে তার বিভিন্ন সময় কাজের ব্যাঘাত ঘটেছে। তিনি অত্যন্ত অপমানিত হয়েছেন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে। একজন পুরুষ লোক হওয়ার কারণে চোখ দিয়ে জল বের হচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি। অপরদিকে এক আইনজীবী জানান, শনিবারও মদমত্ত অবস্থায় ভোক্তা আদালতে এসেছেন প্রেসিডেন্ট গৌতম সরকার। প্রেসিডেন্টের কারণে তারা অত্যন্ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন। মহিলা কর্মীরা পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের কারণে কাজ করতে পারছেন না। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বহুবার এই বিষয়ে অবগত করার পরেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আজকেও অভিযোগ জানানোর পর সদুত্তর দেননি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তাই তারা আজ মামলা না নিয়ে পুলিশকে ডেকে এনেছেন আদালতে। কিন্তু পুলিশ এসে প্রেসিডেন্টের কক্ষে প্রবেশ করে অভিযোগ নিতে ইতস্ততাবোধ করছে।

আদালতে সমস্ত কর্মীদের পক্ষ থেকে দাবি প্রথমে প্রেসিডেন্টকে মেডিকেল করানো হোক। প্রেসিডেন্টের কক্ষ ভালো করে তল্লাশি চালানো হোক। তারপর আজকের মধ্যেই যাতে তাকে অপসারণ করা হয়। এদিকে প্রেসিডেন্টের কাছে জানতে চাইলে সংবাদ মাধ্যমে কর্মীদের জানিয়েছেন, তিনি পাগল নাকি যে মদমত্ত অবস্থায় দায়িত্ব পালন করতে আসবেন? রাতের বেলা নিজের ঘরেই মদ খাওয়া যায়, কেন অফিসে এসে মদ খাবেন? কিছু কর্মীরা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে। প্রতিদিন নিজের মতো করে দায়িত্ব পালন করেন। বয়সের ভারে কিছু কর্মীদের ভুলত্রুটি থাকলে রেগে যান। এর জন্য এমন মিথ্যে অভিযোগ তুলছে কিছু কর্মীরা। সুতরাং, এক প্রকার ভাবে প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে ভোক্তা আদালতের অভিযোগ! কতটা সত্য কতিপয় কর্মীর অভিযোগ? যাইহোক সুষ্ঠু তদন্তের দাবি উঠতে শুরু করেছে সচেতন নাগরিক মহল থেকে। নাহলে এর জের পোহাতে হবে সাধারণ নাগরিক মহলের।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha