স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৩ ডিসেম্বর :নোডাল অফিসারের চরম গাফিলতিতে দু’বছরেও পানীয় জলের বন্দোবস্ত হলো না রাজধানীর প্রাচ্য ভারতী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল থেকে এলাকার বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায় ৪ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছিলেন। অর্থ বরাদ্দ করে এমন হতাশা জনক চিত্র দেখতে হবে সেটা জানতেন না বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়। বুধবার প্রাচ্যভারতী স্কুলে গিয়ে এই দৃশ্য তিনি প্রত্যক্ষ করেন। অত্যন্ত অসন্তোষ হলেন বিধায়ক।
তিনি বলেন দুবছর আগে ছাত্র-ছাত্রীদের পানীয় জলের জন্য তিনি বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল থেকে চার লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছিলেন। আজ বিদ্যালয়ে কোন এক কারণবশত এসে দেখতে পান ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এখনো পানীয় জলের কোন বন্দোবস্ত হয়নি। চারটি ইলেকট্রিক ফিল্টার বসানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেটা পর্যন্ত করেনি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসনিক আধিকারিকরা। এর জন্য তিনি দায়ী করেন নোডাল অফিসারকে। নোডাল অফিসারের চরম গাফিলতির কারণে ছাত্রছাত্রীরা পানীয় জল থেকে বঞ্চিত। তিনি পরবর্তী সময় স্টাফ রুমে গিয়ে সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে বৈঠক করে বলেন তারা যাতে মহাকুমার শাসককে বিষয়টি জানান। কেন এখন পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের পানীয় জলের বন্দোবস্ত হয়নি? মহাকুমার শাসক অবিলম্বে যাতে নোডাল অফিসারকে নির্দেশ দেন পানীয় জলের সুবন্দোবস্ত করার জন্য। শিক্ষক শিক্ষিকাদের দায়িত্ব নিয়ে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে জানান বিধায়ক। উল্লেখ্য, বিদ্যালয়ের মধ্যে আরো লক্ষ্য করা গেছে পাকা ভবনের সামনে খালি মাঠ পর্যন্ত অযত্নে পড়ে আছে। মাঠে পড়ুয়াদের খেলা করার মতো অবস্থা নেই। গোটা মাঠে ঘাস বড় হয়ে আছে। এতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের দায়িত্বজ্ঞান হীনতা নিয়ে প্রশ্ন বাদে।

