Friday, February 6, 2026
বাড়িখেলাবড়সড় স্বস্তি পেল বিসিসিআই

বড়সড় স্বস্তি পেল বিসিসিআই

স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক, ০৭ অগস্ট : জাতীয় ক্রীড়া বিল পাশ হয়ে আইনে পরিণত হলে তুলনায় অনেক সহজ যেতে পারে ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট-সহ অন্যান্য পদাধিকারী হওয়ার আইন। জাতীয় ক্রিকেটমহলে খোঁজ চালিয়ে অন্তত তেমনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এটা এতদিনে স্পষ্ট যে, অদূর ভবিষ্যতে জাতীয় ক্রীড়া বিল আইনে পরিণত হয়ে গেলে দেশের খেলাধুলোর পরিকাঠামো অনেকটাই বদলে যাবে। সঙ্গে প্রশাসনিক পরিকাঠামোতেও প্রভূত বদল আসবে।

ইতিমধ্যে প্রস্তাবিত জাতীয় ক্রীড়া বিলে দু’টো সংশোধনও হয়ে গিয়েছে। যার কপি এসে পৌঁছেছে ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর হাতে।
১) ভারত সরকার থেকে যে সমস্ত সংস্থা অনুদান বা আর্থিক সাহায্য নেবে, তারাই শুধুমাত্র ‘রাইট টু ইনফরমেশন অ্যাক্ট’ বা আরটিআই-এর আওতায় আসবে। কিন্তু যে সমস্ত সংস্থা ভারত সরকারের অনুদান নেবে না, তাদের আরটিআই-এর আওতায় পড়ার ব্যাপারও নেই।
২) জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি জেনারেল বা কোষাধ্যক্ষ হতে গেলে এখন তিনটে রাস্তা খোলা পদপ্রার্থীর সামনে। হয় ‘স্পোর্টসপার্সন অফ আউটস্ট্যান্ডিং মেরিট’ হতে হবে তাঁকে। কিংবা জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার এক্সিকিউটিভ কমিটিতে ন্যূনতম একটা টার্ম পূর্ণ করতে হবে। বা নিজ রাজ্যের অনুমোদিত সংস্থার প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি জেনারেল বা কোষাধ্যক্ষ হতে হবে।

যে দুই সংশোধনের পর রীতিমতো নড়েচড়ে বসেছে ভারতীয় ক্রিকেটমহল। প্রথমত, তারা স্বস্তিতে এটা ভেবে যে, বোর্ডকে আরটিআই-এর আওতায় পড়তে হচ্ছে না। তা ছাড়া ভারতীয় বোর্ডের পদাধিকারী হওয়ার রাস্তা তুলনায় সহজতর হয়ে পড়ছে এই সংশোধনের ফলে। কারণ, প্রস্তাবিত বিলে জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার পদাধিকারী হতে গেলে এক্সিকিউটিভ কমিটিতে দু’টো টার্ম থাকার ব্যাপার ছিল। কিন্তু সংশোধনের পর এখন সেটা বদলে গিয়ে দু’টোর বদলে একটা টার্ম হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা, সেটা না থাকলেও চলবে। নিজের রাজ্য সংস্থার প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি জেনারেল বা কোষাধ্যক্ষ হলেও চলবে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য