স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক অক্টোবর ২৭ :- নিউজিল্যান্ড ১৯৮/৩ (মিচেল ৮৯, অর্শদীপ ৩৩/১, অক্ষর ৩৬/১)
ভারত: ১৯৯/৪ (অভিষেক ১১৩, বৈভব ৪৫, জেমিসন ৪৫/২)
ভারত ৬ উইকেটে জয়ী
৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় ভারতের
অভিষেক শর্মার ব্যাটে তাণ্ডব। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে নজির গড়ে সেঞ্চুরি করলেন ভারতের বাঁহাতি ওপেনার। প্রথমে ১৫ বলে হাফসেঞ্চুরি। তারপর সেঞ্চুরি এল ৩৫ বলে। এর আগেও তিনি ৩০ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এই নিয়ে চারটি সেঞ্চুরি করলেন অভিষেক। ভারতীয়দের মধ্যে ছুঁয়ে ফেললেন সূর্যকুমার যাদবকে। সামনে শুধু রোহিত শর্মা। আর সেই সেঞ্চুরিও ১৯৬ স্ট্রাইক রেটে। বিশ্বে আর কোনও ক্রিকেটার এই স্ট্রাইক রেটে টি-টোয়েন্টিতে চারটি সেঞ্চুরি করেননি। যোগ্য সঙ্গে দেয় বৈভব সূর্যবংশীও। দু’জনের দাপটে ৬ উইকেট হাতে নিয়ে, ৪০ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে দু’ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জিতে নিলেন শ্রেয়স আইয়াররা।
পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দু’টি ম্যাচ জিতেছিল ভারত। তৃতীয় ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রেয়স আইয়ার। এই ম্যাচে ভারতের প্রথম একাদশে কোনও বদল ছিল না। তবে এবারও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ ভুবনেশ্বর। চার ওভারে দিলেন ৪০ রান। উইকেট পাননি। ফলে এই সিরিজের পর আর সুযোগ পাবেন কি না সন্দেহ। নিউজিল্যান্ডের ফিন অ্যালেন ২৫ বলে ৪০ রান করেন। ড্যারিল মিচেলের ব্যাট থেকে আসে ৫২ বলে ৮৯। নির্ধারিত ২০ ওভারে নিউজিল্যান্ড ১৯৮ রান তোলে।
জবাবে শুরু থেকেই ঝড় তোলে টিম ইন্ডিয়া। এদিন বৈভব সূর্যবংশীকে ওপেনে নিয়ে আসা হয়। আর তাতেই দেখা গেল, সে ঠিক কী করতে পারে। অভিষেকের সঙ্গে জুটি বেঁধে পাওয়ারপ্লেতেই ম্যাচ কার্যত জিতে নেয়। ১৯ বলে ৪৫ করে বৈভব। চারটে চার ও চারটে ছক্কা আসে তার ব্যাট থেকে। বৈভব-অভিষেক জুটিতে মাত্র ৫ ওভারে ১০০ রান তোলে ভারত। টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে এত দ্রুত কোনও দল সেঞ্চুরি করেনি। তবে ম্যাচের নায়ক অবশ্যই অভিষেক শর্মা। ৯টা চারের পাশাপাশি ১১টি ছক্কা হাঁকান বাঁহাতি ব্যাটার। ১৫ বলে হাফসেঞ্চুরির পরও তাঁর তাণ্ডব থামেনি। একটা সময় মনে হচ্ছিল, ৩০ বলের মধ্যে সেঞ্চুরি করে নিজের রেকর্ডই ভেঙে ফেলবেন। তবে সেটা আর হয়নি। শেষের দিকে ইনিংসের গতি একটু কমিয়ে দেওয়ায় সময় লেগে গেল ৩৫ বল। শেষমেশ ৩৮ বলে ১১৩ রান করে আউট হন। ম্যাচ তখন কার্যত হাতের মুঠোয়। শেষমেশ ভারত ৪০ বল হাতে থাকতেই ৬ উইকেটে ম্যাচ জেতে।
এই নিয়ে তিনবার অভিষেক ৪০-র কম বলে সেঞ্চুরি করলেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক, ঘরোয়া ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট- সব জায়গাতেই সেঞ্চুরি আছে। যদি হাফসেঞ্চুরি ধরা হয়, তাহলে ১৫ বল বা তার কমে তিনবার সেঞ্চুরি করেছেন। যে রেকর্ড আর কারও নেই। এই নিয়ে তিনবার এক ইনিংসে ১০টার বেশি ছক্কা হাঁকালেন অভিষেক।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান