স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক ২২ফেব্রুয়ারি : এআই সম্মেলনে গোটা বিশ্ব ভারতের ক্ষমতা দেখেছে। প্রযুক্তির সাহায্যে ভারত কীভাবে প্রাচীন জ্ঞান সংরক্ষণ করছে, তা দেখে সম্মেলনে উপস্থিত বিশ্বনেতারা বিস্মিত হয়েছেন। রবিবার মন কি বাতের ১৩১তম পর্বে এভাবেই হুংকার দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বের বহু নেতা এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। দু’টি বিষয় প্রত্যক্ষ করে তাঁরা মুগ্ধ হয়েছে। প্রথমটি আমুলের বুথে প্রদর্শিত হয়েছিল। এতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কীভাবে এআই পশুদের চিকিৎসায় সহায়তা করছে এবং কৃষকরা কীভাবে এআই থেকে সহায়তা লাভ করছে।” তিনি আরও বলেন, “দ্বিতীয় বিষয়টি ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রাচীন গ্রন্থ, পুঁথি এবং পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার হচ্ছে, তা দেখে আন্তর্জাতিক নেতারা বিস্মিত।” মোদির কথায়, “এই সম্মেলনে ভারত তিনটি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এআই মডেল প্রকাশ্যে এনেছে। ভারতে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনটি ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।”
উল্লেখ্য, ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই এআই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই সামিটে অংশ নিয়েছে বিশ্বের ৬৫টি দেশের প্রতিনিধিরা। সেখানেই মানব কেন্দ্রিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ভারতের ‘মানব ভিশন’-এর সঙ্গে পরিচয় করান প্রধানমন্ত্রী। এই পরিকাঠামোর মূল ভিত্তি হল নৈতিক ও নীতিগত ব্যবস্থা, দায়বদ্ধতা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্মুক্তকরণ এবং বৈধতা। তিনি জানান, এআই প্রযুক্তিকে কোনও রাষ্ট্র, সংস্থা বা গোষ্ঠী দ্বারা কুক্ষিগত করে রাখলে চলবে। মানব জাতীর উন্নতির স্বার্থে এই প্রযুক্তিকে উন্মুক্ত করতে হবে। মোদির বার্তা, মোদির বার্তা, যে কোনও প্রযুক্তিই মানুষ এবং সমাজের কল্যাণের জন্য তৈরি হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মানব কেন্দ্রিক হতে হবে। যদি সেটি মানব কেন্দ্রিক না হয়, তাহলে তার কোনও সারবত্তা নেই।

