স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক ১৯ নভেম্বর : অপারেশন সিঁদুর ও মহাদেব চলাকালীন অমিত শাহ দাবি করেছিলেন, গত ছ’মাসে কোনও কাশ্মীরি তরুণ জঙ্গি গোষ্ঠীতে যোগ দেননি। সেই প্রসঙ্গ তুলে এবার আসাদউদ্দিন ওয়েইসির তোপ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। তাঁর প্রশ্ন, ‘কোথা থেকে এই দলটা গজিয়ে উঠল। তাদের শনাক্ত করতে না পারার দায় কার?’
এক্স হ্যান্ডলে তোপ দাগার পাশাপাশি এদিন AIMIM সভাপতি লালকেল্লা বিস্ফোরণের মূল অভিযুক্ত চিকিৎসক উমর মহম্মদ ওরফে উমর-উন-নবির যে ভিডিওটি প্রকাশ্যে এসেছে, সেটা নিয়েও মুখ খুলেছেন। তাঁকে লিখতে দেখা গিয়েছে, ‘দিল্লি বিস্ফোরণের অভিযুক্ত উমর নবির এক তারিখহীন ভিডিওতে আত্মঘাতী বোমা হামলাকে ‘শহিদ’ হিসেবে ন্যায্যতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে এর ভিতরে রয়েছে বিভ্রান্তি। ইসলামে আত্মহত্যা হারাম এবং নিরপরাধদের হত্যা করা একটি গুরুতর পাপ। এই ধরনের কাজ দেশের আইনের বিরুদ্ধেও। এগুলি কোনওভাবেই ‘ভুল বোঝাবুঝি’ নয়। এটা সন্ত্রাসবাদ। অন্য কিচ্ছু নয়।’
এদিকে দিল্লি বিস্ফোরণের পরই নজরে এসেছিল আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরের জেহাদি কার্যকলাপ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক লেনদেনেও বিস্তর গরমিলের হদিশ মিলেছে। বিতর্কিত ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকিকে মঙ্গলবার রাতেই গ্রেপ্তার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বুধবার তাঁকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পাঠাল দিল্লির সাকেত আদালত। বিচারপতি শীতল চৌধুরী প্রধান বলেন, ”অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং তদন্ত যেহেতু প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, তাই আমি মনে করি অভিযুক্তকে ১৩ দিনের জন্য এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট হেফাজতে নেওয়া উচিত।”

