স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা।
২৭ জুলাই ; সালেমায় যাত্রীবাহী বাসে পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে ৩,১২০টি সন্দেহভাজন নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধলাই জেলার সালেমা থানার পুলিশ শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে একটি যাত্রীবাহী মিনিবাস থেকে ৩,১২০টি সন্দেহভাজন নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে।
তবে
ট্যাবলেট বহনের অভিযোগে সন্দেহভাজন এক যুবক অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আমবাসা রেলস্টেশন থেকে কমলপুরগামী একটি যাত্রীবাহী মিনি বাসে এক যুবক সন্দেহজনক একটি ব্যাগ নিয়ে উঠেছে—এমন গোপন তথ্য পেয়ে সালেমা থানার ওসি-র নেতৃত্বে পুলিশ নাকা চেকিং শুরু করে। রাত সাড়ে নয়টার দিকে বাসটি সালেমা থানার নাকা পয়েন্টে পৌঁছালে পুলিশ সেটিকে থামিয়ে তল্লাশি শুরু করে। এ সময় বাসের যাত্রীদের কিছুটা সরে দাঁড়াতে বলা হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে বাসের পেছনের দিকে একটি সন্দেহজনক ব্যাগ দেখতে পান পুলিশ সদস্যরা। ব্যাগটির মালিক সম্পর্কে জানতে চাইলে এক যাত্রী জানান, এক যুবক ব্যাগটি রেখে বাসের সামনে দাঁড়িয়েছিল। এদিকে বাস থেকে নিচে নামা যাত্রীদের মধ্যেই একজন যুবক হঠাৎ সালেমা দ্বাদশ শ্রেণি বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে ধলাই নদীর দিকে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
এতে
পুলিশের সন্দেহ আরও জোরালো হয়। পুলিশ সদস্যরা এবং আশপাশের কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি তাকে ধাওয়া করলেও নদীপাড়ের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে সে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে পুলিশ পরিত্যক্ত ব্যাগটি খুলে তিনটি কালো পলিথিনে মোড়ানো প্যাকেট উদ্ধার করে। প্যাকেটগুলোতে ৩,১২০টি ট্যাবলেট পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, বিষয়টি চিকিৎসকদের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে আলোচনা করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রে ব্যবহৃত হলেও এ ধরনের ট্যাবলেট কিছু অসাধু ব্যক্তি ও মাদকাসক্তরা নেশার উদ্দেশ্যে অপব্যবহার করে থাকে। উদ্ধারকৃত ট্যাবলেটগুলো এনডিপিএস আইনের বিধি অনুযায়ী সাক্ষীদের উপস্থিতিতে গণনা করে জব্দ করা হয় এবং সিজার লিস্ট প্রস্তুত করা হয়। রবিবার জব্দকৃত আলামত সহ মামলার নথি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান