Wednesday, September 23, 2026
বাড়ি রাজ্য দিন দুপুরে ঘটে গেল বিজেপি-র উত্তর জেলা কার্যালয়ে ধুন্ধুমার কান্ড

দিন দুপুরে ঘটে গেল বিজেপি-র উত্তর জেলা কার্যালয়ে ধুন্ধুমার কান্ড

দিন দুপুরে ঘটে গেল বিজেপি-র উত্তর জেলা কার্যালয়ে ধুন্ধুমার কান্ড

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৩ সেপ্টেম্বর : প্রয়াত বিধানসভার অধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেনের সাজানো সংগঠন ধ্বংসের মুখে। বুধবার দিন দুপুরে ঘটে গেল বিজেপি-র উত্তর জেলা কার্যালয়ে ধুন্ধুমার কান্ড। সংগঠনের দায়িত্ব সামাল দিতে ব্যর্থ ধর্মনগরের বর্তমান বিধায়ক জহর চক্রবর্তী। তিনি জয়ী হবার পর প্রথম ব্যর্থতা ধর্মনগরের কাউন্সিলরের মৃত্যুকান্ডের ঘটনা। অবশ্য ধর্মনগরে কান পাতলে শোনা যায় বর্তমানে সেখানে দুই জন বিধায়ক রয়েছে। একজন হলেন কাগজে পত্রে জহর চক্রবর্তী। অপরজন হলেন জহর চক্রবর্তীর সহ ধর্মিণী অর্থাৎ ডেমি বিধায়ক বর্ণালী গোস্বামী।

আর এই দুই বিধায়কের দাপাদাপিতে ধর্মনগরে বর্তমানে বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল চরমে পৌঁছেছে। ধর্মনগরে কান পাতলে শুনা যায় সেখানে দুই বিধায়ক গোষ্ঠীর বিজেপি ও মণ্ডল সভাপতির গোষ্ঠীর বিজেপি রয়েছে। এক গোষ্ঠী আবার অপর গোষ্ঠীকে এক চুক্ষুর জন্যও দেখতে পারে না। যার জেরে সেখানে কোন্দল ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সেই কোন্দল বুধবার চরমে পৌঁছায়। এইদিন ধর্মনগরস্থিত উত্তর জেলা কার্যালয়ে ঘটে যায় ধুন্ধুমার কান্ড। ঠিক কি কারণে এইদিন ঝামেলার সূত্রপাত তা জানা যায় নি। তবে এইদিন বিধায়ক গোষ্ঠীর দুই সদস্যকে পিটিয়ে তক্তা বানালো মণ্ডল গোষ্ঠীর সদস্যরা। আর গোটা ঘটনা ঘটে মণ্ডল সভাপতির উপস্থিতিতে।

তবে ঘটনাটি পরিকল্পনা করে ঘটানো হয়েছে কিনা তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। কারণ ঘটনা চলাকালীন সময় সেখানে উপস্থিত হন ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী ও ওনার সহধর্মিণী তথা ডেমি বিধায়ক বর্ণালী গোস্বামী। পরবর্তী সময় তাদের উপস্থিতিতে আহত দুই জনকে উদ্ধার করে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আহত এক যুবক জানায় বিজেপি উত্তর জেলা কার্যালয় থেকে উত্তরীয় নিয়ে গাড়িতে উঠেছিল। এমন সময় মণ্ডল সভাপতি সহ আরও কয়েকজন মিলে তাকে ডেকে ধর্মনগর উত্তর জেলা কার্যালয়ে নিয়ে যায়। তারপর সেখানে তাকে বেধড়ক ভাবে মারধর করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় আক্রান্ত এক যুবক ধর্মনগর থানায় বিজেপি ধর্মনগরের মণ্ডল সভাপতি সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। প্রয়াত বিশ্ববন্ধু সেন জীবিত থাকা কালীন সময় ধর্মনগরে এই ধরনের গোষ্ঠী কোন্দল মাথা চাড়া দিয়ে উঠার কোন সুযোগ ছিল না। কারণ তিনি নিজে যে কোন ঝামেলা আলোচনাক্রমে শেষ করে ফেলতেন। কিন্তু বিশ্ববন্ধু সেন না ফেরার দেশে পারি দেওয়ার সাথে সাথে ওনার সাজানো বাগানের দায়িত্ব গ্রহণ করে একের পর এক ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন বিধায়ক জহর চক্রবর্তী। এই পরিস্থিতিতে প্রয়াত বিশ্ববন্ধু সেনের সাজানো ফুলের বাগান অক্ষত রাখতে বিজেপি দল আগামিদিনে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করে সেটাই এখন দেখার।

 

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha