স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৪ জুলাই : ত্রিপুরার রেল মানচিত্রে যুক্ত হলো এক নতুন মাইলফলক। আগরতলা-করিমগঞ্জ মেইন লাইন ইলেকট্রিক মাল্টিপল ইউনিট ট্রেন পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা। শনিবার আগরতলা রেল স্টেশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ট্রেন পরিষেবার ফ্ল্যাগ অফ করা হয়। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, বিধায়িকা মীনা রাণী সরকার এবং রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা।
মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রেখে বলেন, ২০১৮ সালের পূর্বে প্রধানমন্ত্রী ত্রিপুরা রাজ্যে এসে বলেছিলেন ত্রিপুরা রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হলে ত্রিপুরা রাজ্যকে হিরা মডেল দেওয়া হবে। প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ত্রিপুরা রাজ্যকে হিরা মডেল দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এইদিন ১২ কোচ বিশিষ্ট মেমো ট্রেন আগরতলা-করিমগঞ্জ-আগরতলার মধ্যে যাত্রা শুরু করেছে। এই ১২ টি কোচ অত্যাধুনিক। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে এই প্রথমবার মেমো ট্রেন পরিষেবা চালু হয়েছে। আগামিদিনে ত্রিপুরা রাজ্যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন পরিষেবা প্রদান করবে। বর্তমানে সাব্রুম পর্যন্ত ব্রড গেজ রেল লাইন হয়ে গেছে। বর্তমানে একের পর এক নতুন কাজ ত্রিপুরা রাজ্যে হচ্ছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রকের সাথেও আলোচনা হয়েছে, আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ককে আগামী দিনে ৪ লাইনের করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ধীরে ধীরে ত্রিপুরা গোটা দেশের মধ্যে মডেল হয়ে উঠছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই নতুন ট্রেন পরিষেবা যাত্রীদের আরামদায়ক যাত্রা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি আঞ্চলিক রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। নতুন এই মেমু ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়ার ফলে আগরতলা ও করিমগঞ্জের মধ্যে যাতায়াত আরও সহজ, দ্রুত ও সুবিধাজনক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী আরো জানিয়েছেন, কেন্দ্র সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়েছে যাতে এর পরিসমায় আধুনিককরণের টিকেট ত্রিপুরায় গুরুত্ব দেয়। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বন্দে ভারত ট্রেনের দাবি করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই বন্দে ভারত ট্রেন ত্রিপুরা থেকে চালু হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী।

