বাড়িরাজ্যলাইট হাউজের বেনিফিশিয়ারিদের মধ্যে বাড়ছে হতাশা, টুডার দারস্থ তারা

লাইট হাউজের বেনিফিশিয়ারিদের মধ্যে বাড়ছে হতাশা, টুডার দারস্থ তারা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১ জুন : ডাবল ইঞ্জিন সরকারের স্বপ্ন কবে বাস্তবায়ন হবে জানা নেই! অনিশ্চয়তার দিকে এগোচ্ছে রাজধানীর বর্ডার গোল চক্কর এলাকার লাইট হাউজের কাজ। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে ত্রিপুরা সহ দেশের ছয়টি রাজ্যে লাইট হাউজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লাইট হাউজ বেনিফিসারীদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা থাকলেও গত ছয় বছর ধরে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে লাইট হাউজের দায়িত্ব প্রাপ্ত টুডা। এমনতাই অভিযোগ তুলে সোমবার টুডা অফিসে গিয়ে আধিকারিকের দারস্থ হলেন বেনিফিশিয়ারিরা। তাদের অভিযোগ গত ছয় বছরে মাত্র ৩৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা।

অত্যন্ত কচ্ছপের গতিতে কাজ চলছে। এভাবে চলতে থাকলে কাজ আগামী ১০ বছরেও শেষ হবে না। অথচ দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলি মধ্যে লাইট হাউসের কাজ সম্পন্ন করে বেনেফিশিয়ারিদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয় নিয়ে একাধিকবার দপ্তরের দ্বারস্থ হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। শুধুমাত্র আশ্বাস দিয়ে চলেছে আর কিছুদিন পর তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে ফ্ল্যাট। অথচ দিনের পর দিন সমস্যায় পড়ে ভুক্তভোগী ১০০০ বেনিফিশিয়ারি। তারা দিশাহারা হয়ে সোমবার দপ্তরে আধিকারিকের কাছে পুনরায় গিয়ে জানতে চাইলে তাদের আশ্বস্ত করা হয় চলতি বছরের মধ্যেই তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে ফ্ল্যাট। এই ফ্ল্যাটের জন্য প্রত্যেক বেনিফিশিয়ারি পাঁচ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত জমা করেছেন।

অথচ তাদের মাথা গুজার ঠাঁই গত ছয় বছরেও মিলছে না। আগরতলা শহরে অতিরিক্ত মূল্যে ভাড়া থেকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বলেও দাবি করলেন তারা।তাদের মধ্যে আবার অনেকে জানিয়েছেন তারা বর্ডার গোলচক্কর এলাকায় গিয়ে কাজ পরিদর্শন করেছেন। সাতটি পিলারের মধ্যে একটি পিলারেও কাজ সম্পন্ন হয়নি। এমনকি ইলেকট্রিসিটির কাজ পর্যন্ত সম্পূর্ণ করতে পারেনি। সুতরাং এই লাইট হাউজের ভবিষ্যৎ অন্ধকার দেখছে বেনিফিশিয়াররা।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য