বাড়িরাজ্যত্রিপুরার মতো পশ্চিমবঙ্গবাসীকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলতে চাইছে বিজেপি : মানিক সরকার

ত্রিপুরার মতো পশ্চিমবঙ্গবাসীকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলতে চাইছে বিজেপি : মানিক সরকার

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৩ মার্চ :  ৪ দফা দাবিকে সামনে রেখে সিআইটিইউ-র বিধানসভা অভিযান। বিধানসভা অভিযানের লক্ষ্যে এইদিন সিআইটিইউ-র  কর্মী সমর্থকরা ওরিয়েন্ট চৌমুহনী থেকে সুবিশাল মিছিল সংগঠিত করে। মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, সিআইটিইউ নেতৃত্ব শঙ্কর প্রসাদ দত্ত, মানিক দে সহ অন্যান্যরা। মিছিলটি ডিমসাগর এলাকায় পৌঁছানোর পর পুলিশ মিছিলকে আটকে দেয়।

পরবর্তী সময় সেখানেই সভা সংগঠিত করা হয়। সভায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী সহ অন্যান্যরা। সোমবার বিধানসভা অভিযানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার ডাবল ইঞ্জিন সরকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করলেন। ত্রিপুরার মানুষকে যেভাবে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হয়েছে সেভাবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলার জন্য চেষ্টা করছে বিজেপি। ২০১৮ সালে ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচনে মানুষের সামনে যে অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতি গুলি রেখেছিল সেগুলি পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে ২০২৬ সালে প্রতিশ্রুতি হিসেবে তুলে ধরছে। গত আট বছরে ত্রিপুরায় এই প্রতিশ্রুতি গুলি কার্যকর না করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে কেন্দ্র এবং রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার।

 তিনি আরো বলেন, বিধানসভা অধিবেশনে বিরোধীদের কন্ঠ রোধ করে রাখছে সরকার। যারা জনগণের স্বার্থে কথা বলার চেষ্টা করে তাদের মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিধানসভা অভিযান করতে গিয়ে সারা ভারত কৃষক সভার রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক পবিত্র কর। কিন্তু পুলিশের হাতে আক্রান্ত হয়েছেন পবিত্র কর। তার জামা ছিঁড়ে ফেলেছে, ঘড়ি ছিনিয়ে নিয়েছে। পুলিশ সরকারের নির্দেশ ছাড়া এগুলি করার চেষ্টা করে নি। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার জনগণ বিরোধী এবং শ্রমিক শ্রেণীর শত্রু। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন বামফ্রন্ট সরকার থাকা কালিন সময় নিয়ম ছিল অনিয়মিত কর্মীদের চাকুরির ১০ বছর পূর্ণ হলে তাদের চাকুরি নিয়মিত হয়ে যাবে। বামফ্রন্ট সরকারের সময় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ প্রদান করলে, অনিয়মিত করমিদেরও কিছু কিছু সুযোগ সুবিধা প্রদান করত। অনিয়মিত কর্মীদের নির্দিষ্ট সময় পর নিয়মিতকরন করা হতো। কিন্তু ২০১৮ সালের পর বহু অনিয়মিত কর্মচারীদের চাকুরি থেকে ছাটাই করে দেওয়া হয়েছে। এবং বর্তমানে অনিয়মিত কর্মচারীদের বেতন ভাতা বৃদ্ধি পাচ্ছে না। এদিনের অভিযানে কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল বেশ লক্ষ্যণীয়।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য