স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৩ মার্চ :শুক্রবার ত্রিপুরা বিধানসভার বিএসি কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এইদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার উপাধ্যক্ষ রাম প্রসাদ পাল, ত্রিপুরা বিধানসভার মুখ্য সচেতন কল্যাণী রায়, মন্ত্রী রতন লাল নাথ, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী, বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া, কংগ্রেসের পরিষদীয় দলনেতা বীরজিৎ সিনহা, মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা, সহ বিএসি কমিটির সদস্য সদস্যারা।
বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলন করলেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ। তিনি জানান শুক্রবার রাজ্যপালের ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ত্রিপুরা বিধানসভার বাজেট অধিবেশন। এইদিন রাজ্যপালের ভাষণের পর বিধানসভার উপাধ্যক্ষ তাঁর কক্ষে বিএসি কমিটির বৈঠক ডাকেন। কারন বিজনেস এডভাইজারি কমিটিতে নতুন কিছু প্রস্তাব এসেছে। সেই প্রস্তাব গুলি নিয়ে এইদিন আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি বিধানসভার অধ্যক্ষ নির্বাচনেরও প্রস্তাব এসেছে। ১৬ মার্চ অধ্যক্ষ নির্বাচনের ঘোষণা দেবেন উপাধ্যক্ষ। অধ্যক্ষ নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করা হবে ১৭ মার্চ। যদি একাধিক মনোনয়নপত্র জমা না পরে, তাহলে সেইদিনই নয়া অধ্যক্ষের নাম ঘোষণা করা হবে। যদি একাধিক মনোনয়নপত্র জমা পরে, তাহলে ১৮ মার্চ অধিবেশনের শুরুতে অধ্যক্ষের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে। এছাড়াও নতুন করে আরও ৭ টি বিল এসেছে। এই বিল গুলি বিধানসভায় পাশ করানো হবে বলে জানান মন্ত্রী রতন লাল নাথ। এদিকে অধ্যক্ষ নির্বাচন নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদের মধ্যে তিন বছর চলে গেছে। আর আছে মাত্র আর দু’বছর।
সে জায়গায় নতুন করে অধ্যক্ষ নির্বাচন নিয়ে শুরুতে বিরোধীদল সিপিআইএম যে ভূমিকা নিয়েছিল, সেই ভূমিকা এখন নতুন করে নেওয়ার কিছু নেই। কারণ সংখ্যা তত্ত্বে শাসকদলের কাছে সেই সংখ্যা আছে। ভোটাভুটি হলে অবশ্যই শাসক দল জিতবে। কিন্তু ২০২৩ সালে সংখ্যা না থাকলেও বিরোধীদল সিপিআইএমের যে অবস্থান সেটাকে রেজিস্টার করার জন্য অধ্যক্ষের জন্য প্রার্থী দাঁড় করানো হয়েছিল। বর্তমানে এমন পরিস্থিতি নয়। তবে এটা ব্যক্তিগত অভিমত। তারপরও দলের পক্ষ থেকে আজকে সন্ধ্যায় বৈঠকে বসবেন। কারণ দলগতভাবেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান তিনি। যাইহোক এখন অধ্যক্ষ নির্বাচন করার পালা ত্রিপুরা বিধানসভার।

