Thursday, February 19, 2026
বাড়িরাজ্যবিশ্রামগঞ্জ নিয়ে বিজেপি এবং মথাকে কাঠগড়ায় তুলল কংগ্রেস

বিশ্রামগঞ্জ নিয়ে বিজেপি এবং মথাকে কাঠগড়ায় তুলল কংগ্রেস

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৯ ফেব্রুয়ারি :  সম্প্রতি বিশ্রামগঞ্জে নগর পঞ্চায়েত গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়ে যে বিতর্কের সূচনা হয়েছে তা রাজ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বৃহস্পতিবার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই দাবি করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রবীর চক্রবর্তী।পরিষ্কার বক্তব্য যে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকরী করার পূর্বে যেহেতু মিশ্র জনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং লাগোয়াই এডিসির অন্তর্ভুক্ত এলাকা রয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিশেষ কমিশন গঠন করে বসবাসকারী সব অংশের মানুষের মতামত নিয়ে ঐক্যমত গড়ে তুলেই সিদ্ধান্ত কার্যকরী করা প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, আশ্চর্যের সঙ্গে লক্ষ্য করছেন, সিদ্ধান্ত হয়ে যাওয়া এবং কার্যকরী করার প্রশ্নে ওয়ার্ড বিন্যাসের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর তিপরা মথার সুপ্রিমো প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ সহ দল জেলাশাসকের সাথে সাক্ষাৎ করে নগর পঞ্চায়েত গঠনের বিরোধিতা করেন তিনি দাবি করেন, এডিসি এলাকার ৩০ শতাংশ জমি নগর পঞ্চায়েতে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জেলাশাসক সরকারিভাবে পরবর্তী সময় জানায় যে, এডিসির কোনও এলাকাই প্রস্তাবিত নগর পঞ্চায়েতে নেই এবং নগর পঞ্চায়েত গঠন, ওয়ার্ড বিন্যাস করতে এলাকার বিধায়ক এবং এমডিসি এই দু’জনেই উপস্থিত ছিলেন। এরপরেও যথারীতি তাদের স্বভাবজাত দ্বিচারিতা এই ক্ষেত্রেও তারা বজায় রেখে নগর পঞ্চায়েত ও আরও কিছু দাবিতে অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থানে জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী সদস্য উপস্থিত হয়ে রাজ্য সরকারকে সংবিধান বহির্ভূতভাবে নগর পঞ্চায়েত গঠনকে নিন্দা এবং প্রতিবাদ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান। প্রশ্ন, সাংবিধানিকভাবে এডিসির হাতে যে ক্ষমতা ছিলো যে এডিসি এলাকার জমি হস্তান্তরিত করতে গেলে এডিসি মনোনীত যে গ্রাম কমিটি তাদের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিলো। যা মোদি ক্ষমতাসীন হওয়ার পর বনাধিকার আইন সংশোধনের নামে আরও সংশোধন করে এই ক্ষমতাটুকুই হরণ করে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, তিপ্রা মথা এডিসিতে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর এডিসিতে এই জাতীয় যে কমিটি ছিলো সেই কমিটি বাতিল করে দিয়েছে।

তাই যথেচ্ছভাবে এডিসির জমি হস্তান্তরিত হয়ে যাচ্ছে। এমনকী সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য ও জনৈক মথা নেতার বিরুদ্ধে আছে যে দিল্লির রাষ্ট্রবাদী পরিচিত ব্যবসায়ী সুভাষ জিন্দাল ও ক্যাপ্টেন জি এস রাজর্ষিকে বহু অর্থমূল্যের জমি তুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও ধরনের আইনকেই মান্যতা দেওয়া হয়নি। দ্বিতীয়ত নগর পঞ্চায়েতের সিদ্ধান্ত তো মন্ত্রিসভায় হয়েছে। সেই সময় মথার দু’জন মন্ত্রীই বা কি ভূমিকা নিয়েছিলো। আর সিপাহিজলা জেলাশাসকের ডাকা সভায় বিধায়ক ও এমডিসির ভূমিকাই বা কী ছিলো তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন বলে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তিনি দাবি জানান। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এদিন এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের অন্যান্য নেতৃত্ব।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য