স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৪ ফেব্রুয়ারি : ঘরের ইঁদুর বেড়া কাটছে। এই প্রবাদটি যেন অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল টিটিএএডিসি নির্বাচনের আগে। তিপরা মথার কাছে ককবরক ভাষা রমান হরফ অন্যতম হাতিয়ার। শনিবার রাজধানীর উত্তর গেট সংলগ্ন এলাকায় মানব বন্ধন কর্মসূচি সংঘটিত করে টিএসএফ। তাদের দাবি ককবরক ভাষা রোমান হরফে পরিচালিত করা। টিএসএফ আগরতলা কমিটির নেতৃত্ব মনিশ দেববর্মা জানান, ককবরক ভাষায় রোমান হরফের দাবি দীর্ঘদিনের। এই দাবি নিয়ে তিন চারটি ভাষা কমিশন হয়েছে।
কিন্তু সরকার কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তারা আরো অভিযোগ তোলেন, ত্রিপুরা সরকার ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনীতি করছে। তাই সরকারের উদ্দেশ্যে দাবি তারা যেন ছাত্র-ছাত্রীদের কথা নিয়ে একটু ভাবে। এর জন্য আজকের এই কর্মসূচি বলে জানেন তারা। তারা আরো বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর যদি রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীদের দুঃখ কষ্ট না বুঝে তাহলে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে দিতে পারেন। যে ছাত্রছাত্রীদের দুঃখ কষ্ট বুঝবে তাকেই যেন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসানো হয়। এই বিষয় নিয়ে এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কড়া বার্তা দিলেন।
মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন যারা এই দাবি তুলছেন তাদের কাছে কোন ইস্যু নেই। তারা ভালো করেই জানে ক্রিপ্ট হবে না। তারপরেও জনজাতিদের সেন্টিমেন্ট কাজে লাগাতে চাইছে। জনজাতি যুবক-যুবতীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তাদের দলের শীর্ষ নেতৃত্ব জেনে বুঝে এগুলি করছেন। এ ধরনের চক্রান্তে যাতে না পা দেন, এর জন্য আহ্বান জানান তিনি। তবে শাসক দল এধরনের কাণ্ডকারখানায় অত্যন্ত হাসির খোরাক হয়ে দাঁড়িয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির কাছে। আসলে রাজ্য রাজনীতির কাছে বহু নেতৃত্ব এখনো শিশুসুলভ আচরণ করে চলেছে। এটাই বারবার প্রমাণ করছে তাদের কার্যকলাপে। যেমন দলের কার্যকর্তা ও নেতৃত্বকে ফুসলিয়ে রাস্তায় নামিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে স্বরাষ্ট্র দপ্তর ছেড়ে দেওয়া এবং মুখ্যমন্ত্রীকে চেয়ার থেকে সরে অন্য কাউকে মুখ্যমন্ত্রী করা মত মন্তব্য করা পুরোপুরি হাসির খোরাক হওয়া সমান।

