স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২১ জানুয়ারি :থানসা, গ্রেটার তিপরাল্যান্ড, তিপরাল্যান্ড, ওয়ান লাস্ট ফাইট, সুশাসন, বিকশিত ত্রিপুরা, নতুন ত্রিপুরা – এই শ্লোগান গুলি প্রতিদিন রাজ্যের ৪০ লক্ষ মানুষ শুনতে পাচ্ছেন শাসক এবং শরিক দলের নেতা, মন্ত্রী, বিধায়কদের মুখে। অথচ, আঙ্গুর ফল ফুলে কলা গাছ হচ্ছে। জনগণের পয়সায় নেতা মন্ত্রী বিধায়কদের ভোগ বিলাস এবং গাড়ি বাহার মানুষকে বাকরুদ্ধ করে দিচ্ছে।
অথচ, সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা চাইতে হলে সংবাদ মাধ্যম ছাড়া উপায় নেই। কারণ সংবাদ মাধ্যম ছাড়া কথা বললে কানেও কথা উঠে না জনগণ দ্বারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের। কিছু ক্ষেত্রে সংবাদ মাধ্যম দ্বারা নাক কান কাটা গেলে জনপ্রতিনিধিরা এগিয়ে আসেন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে, আবার কিছু ক্ষেত্রে সেই খবর কর্ণপাত করেন না জনগণের পয়সা দিয়ে জনগণের ঘাড়ে শ্বাস ফেলা জনপ্রতিনিধিরা। এ যেন এক আজব কারখানা। এবার এক মন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে অসহায় দৃষ্টিহীন মহিলার অসহায়ত্বের কাহিনী সামনে এসেছে। সিমনার বড় কাঁঠালের অসহায় মহিলা সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে নিজের দুঃখের কাহিনী শোনালেন।
১ নং সিমনা বিধানসভা কেন্দ্রের বিদ্যা লুচন এলাকার বাসিন্দা তিনি। স্বামী হারা অসহায় অসুস্থ কল্পনা দেববর্মা। তিনি দৃষ্টিহীন। দীর্ঘ দিন যাবত অসুস্থ, টাকার অভাবে করতে পারছেন না নিজের চিকিৎসাও। তাই তিনি সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সিমনার বিধায়ক তথা ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের শিল্প ও বানিজ্য দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী বৃষকেতু দেব্বর্মা, স্থানীয় এম.ডি.সি ডিসির ইএম রবীন্দ্র দেববর্মার নিকট সাহায্যের আবেদন করে বলেন, চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা চান। তিনি এতটাই অসহায় হয়ে পড়েছেন যে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন যদি একটি চোখেও দেখতে পেতেন তাহলে ভিক্ষা করে খেতেন। এখন দেখার রাষ্ট্রমন্ত্রী বৃষকেতু দেববর্মা, এডিসির ই.এম রবীন্দ্র দেববর্মারা এই অসহায় কল্পনা দেববর্মাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন কি না।

