Thursday, February 5, 2026
বাড়িখেলাশেষের ঝলকে মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি

শেষের ঝলকে মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, ২৮ আগস্ট।। ম্যাচের বয়স তখন ৭৫ মিনিট ছুঁতে চলেছে। ইন্টার মায়ামি পিছিয়ে ১-০ গোলে। জর্দি আলবার ক্রস থেকে বক্সের ভেতর হেড করলেন তাদেও আইয়েন্দে। গোলকিপার তা ধরেও ফেললেন। কিন্তু একটু হতাশার সুরের পর গ্যালারি থেকে ভেসে এলো গর্জন। রেফারি যে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছেন! রেফারির চোখে, হেড নেওয়ার সময়ই আইয়েন্দেকে ধাক্কা মারেন ডেভিড ব্রেকালো। তার ওই সিদ্ধান্ত এক ঝটকায় যেন বদলে দিল ম্যাচের মোড়। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লের ব্রেকালো। পেনাল্টি থেকে গোল করলেন লিওনেল মেসি। পরে তার দারুণ এক গোলেই এগিয়ে গেল মায়ামি। অধিনায়ক অবদান রাখলেন দলের তৃতীয় গোলেও। চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরে ম্যাচের অনেকটা সময় ধরে বিবর্ণ থাকলেও শেষ দিকে জ্বলে উঠলেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। লিগস কাপের সেমি-ফাইনালে ঘরের মাঠে প্রথমার্ধে পিছিয়ে থাকা ইন্টার মায়ামি শেষ পর্যন্ত ফাইনালে পৌঁছে গেল অরল্যান্ডো সিটিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর ক্লাবগুলো নিয়ে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের তিন আসরে মায়ামির এটি দ্বিতীয় ফাইনাল। টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলটি সরাসরি খেলবে আগামী বছরের কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের শেষ ষোলোয়। সেমি-ফাইনালে চোখ রেখেই মেজর লিগ সকারের গত ম্যাচটিকে মেসিকে খেলানোর ঝুঁকি নেননি মায়ামি কোচ হাভিয়ের মাসচেরানো। দলের সবচেয়ে বড় তারকা সেটির প্রতিদানও দিলেন দারুণভাবে। মেজর লিগ সকারের নিয়মিত মৌসুমে এই অরল্যান্ডোর কাছে দুই দফায় হেরেছে মায়ামি, গোল হজম করেছে সাতটি। এই ম্যাচেও প্রথম সুযোগটি পায় তারাই। নবম মিনিটে মার্তিন ওহেদা বিপজ্জনকভাবে বক্সে ঢুকে বাঁ পাশ থেকে জোরাল শট নেন। দারুণ ক্ষীপ্রতায় তা ফিরিয়ে দেন মায়ামির গোলকিপার অস্কার উস্তারি। মায়ামি প্রথম সম্ভাবনা জায়গায় ৩১তম মিনিটে। রদ্রিগো দে পলের কাছ থেকে বল পেয়ে কাট করে ভেতরে ঢুকে শট নেন লুইস সুয়ারেস। তবে বল চলে যায় একটু বাইরে দিয়ে। ৪৫ মিনিট শেষে যোগ করা সময় ছিল এক মিনিট। তখনই গোল করে অরল্যান্ডোকে এগিয়ে দেন মার্কো পাসালিচ। ৫১তম মিনিটে আলবার পাস থেকে বক্সের ভেতর বল পেয়ে জোরাল শট নিতে পারেননি সুয়ারেস। বল ধরতে সমস্যাও হয়নি অরল্যান্ডোর গোলকিপারের। ৭৫তম মিনিটে সেই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। আলবার ক্রসে হেড নেওয়ার সময়ই পড়ে যান আইয়েন্দে। পেনাল্টি দেন রেফারি। মাঠ ছাড়েন ব্রেকালো। মায়ামিকে সমতায় ফেরান মেসি। লিগস কাপে তার প্রথম গোল এটি। ১০ জনের অরল্যান্ডোকে এরপর প্রবল চাপে ফেলে দেয় মায়ামি। সেই পথ ধরেই গোল আসে ৮৮তম মিনিটে। বার্সেলোনায় অনেকবার যেমন দেখা গেছে, সেভাবেই আলবার সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে বক্সের ভেতর জটলার মধ্যে এগিয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়ান মেসি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে আরেকটি গোলে ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলে মায়ামি। মেসির কাছ থেকে বল পান রদ্রিগো দে পল। তিনি বাড়িয়ে দেন তেলাস্কো সেগোভিয়ার দিকে। ভেনেজুয়েলার তরুণ এই মিডফিল্ডার সুয়ারেসের সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে বক্সে ঢুকে পরাস্ত করেন অরল্যান্ডোর গোলকিপারকে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে
Captcha verification failed!
CAPTCHA user score failed. Please contact us!

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য