স্যন্দন
ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৭ সেপ্টেম্বর : আলিশান জীবন যাপন করছেন রাজ্যে মন্ত্রী, বিধায়করা।
স্বর্ণযুগের মেলার মাঠের উন্নয়ন ছিল সবার আগে, আর বর্তমান হীরা যুগে রাজ্যে এক তথাকথিত
জনদরদী নেতা আর এই নেতার দলের বিধায়ক ও এমডিসিদের উন্নয়ন সবার আগে। দামি দামি হোটেলে
বৈঠক, লাক্সারি গাড়ি দিয়ে যাতায়াত সব কিছুই তাদের অতি বিলাসিতা লক্ষ্যনীয় হয়ে
উঠেছে।
ভোট আসলেই
তাদের জনগণের জন্য চুক্তি এবং আসন সমঝোতা লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু অসহনীয় অবস্থায়
বছরের পর বছর কাটছে রাজ্যের গ্রাম পাহাড়ে মানুষের। ১৯ দিন পর ভিলেজ কমিটির নির্বাচন।
এর আগে ভোট বয়কটের ডাক দিল জনগণ।
তারা ৪৮ করমছড়া
বিধানসভার পশ্চিম করমছড়া ভিলেজ কমিটি এবং নালকাটা ভিলেজ কমিটির অন্তর্গত শিবুকাশি
কামি জমাতিয়া পাড়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ভোটার। তাদের অভিযোগ হীরা যুগের উন্নয়নের
ছোঁয়া এলাকায় পৌঁছায়নি। দীর্ঘ সময় বামফ্রন্ট, তারপর বিজেপি এবং মথা কেউই তাদের
উন্নয়নের দিকে তাকাচ্ছে না। যেভাবে স্বর্ণযুগে তারা বঞ্চিত হয়ে এসেছেন, সেভাবেই হীরা
যুগেও বঞ্চিত। এলাকায় ২৮ পরিবারের প্রায় শতাধিক ভোটার রয়েছেন। তারা দীর্ঘ বছর ধরে
দাবি করছে এলাকার রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য। রাস্তাটি দিয়ে যাতায়াত করা মুশকিল
হয়ে পড়ছে। এবং এই রাস্তা দিয়ে রেল স্টেশন যেতে হয়। সবচেয়ে সমস্যায় পড়তে হয়
যখন রোগী নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এমনকি কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা সংঘটিত হলে ফায়ার
সার্ভিসের ইঞ্জিন বা অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত এলাকায় পৌঁছাতে পারবে না।
এ রাস্তা
দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয় কচিকাঁচাদের। এলাকার বিদ্যুৎ সমস্যাও দীর্ঘদিনের।
বিদ্যুৎ নিগমের কর্মীরা ট্রান্সফরমার খুলে নিয়ে যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত ট্রান্সফরমার
লাগানো হয়নি। পানীয় জলের চরম সংকট এলাকায়। মানুষ পানীয় জলের জন্য হাহাকার করে।
দূরদূরান্ত থেকে পানীয় জল আনতে হয় এলাকাবাসীর। তাই আসন্ন ভিলেজ কমিটির নির্বাচনে
ভোট বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এলাকাবাসী। এমনটাই জানান তারা। এখন প্রশ্ন হল এলাকায়
কোন মুখ নিয়ে ভোট চাইতে যাবেন শাসকদলের মনোনীত প্রার্থীরা? এলাকার ভোটাররা ভালো করে
বুঝতে পারছেন এতদিন তাদের নিয়ে ভোট ব্যাংকের রাজনীতি হয়েছে। বাস্তবে কেউই তাদের উন্নয়ন
চায়নি।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান