স্যন্দন
ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা।
৭
আগস্ট : গত
কয়েক
মাস
ধরে
অঘোষিতভাবে
রাজ্যের
ন্যায্য
মূল্যের
দোকানগুলো
থেকে
চিনি
বরাদ্দ
বন্ধ
করে
দিয়েছে
সরকার।
অপরদিকে
অন্যান্য
সরঞ্জামের
মান
এতটা
নিচে
নামিয়ে
এনেছে
যে
মানুষের
খাওয়ার
অনুপযুক্ত।
বর্তমান
সরকার
২০১৮
সালে
প্রতিষ্ঠিত
হওয়ার
পর
ঢাকঢোল
পিটিয়ে
দাবি
করেছিল
ন্যায্য
মূল্যের
দোকানের
সরঞ্জাম
বৃদ্ধি
করার
পাশাপাশি
গুণগতমান
বৃদ্ধি
করা
হবে।
কিন্তু
গত
আট
বছরে
পরিষেবার
মান
এতটা
জলাঞ্জলি
দিয়ে
চলেছে
যে
মানুষ
মুখ
ফিরিয়ে
নিচ্ছে
ন্যায্য
মূল্যের
দোকানগুলি
থেকে।
শুক্রবার
রাজধানীর
জয়নগর
এলাকার
৬
নং
রেশন
শপে
ভোক্তাদের
জন্য
মশুর
ডাল
আসে।
পাঁচ
থেকে
ছয়
বস্তা
ডাল
গাড়ি
থেকে
নামানোর
পর
ডিলার
বস্তা
খুলে
দেখতে
পান
অত্যন্ত
নিম্নমানের
ডাল।
শুধু
নিম্নমানের
বললে
কম
হবে,
পচা
এবং
দুর্গন্ধযুক্ত
ডাল।
যেগুলি
ভোক্তাদের
দিতে
গেলে
ঝামেলা
বাধার
সম্ভাবনা
রয়েছে।
সংবাদ
মাধ্যমের
মুখোমুখি
হয়ে
ডিলার
স্বীকার
করেছেন,
ডালগুলি
এতটাই
পচা
ও
দুর্গন্ধ
যুক্ত
যেগুলি
কোনভাবেই
ভোক্তাদের
কাছে
বিক্রি
করা
যাবে
না।
এই
ডাল
গুলি
কোন
পশু
পাখি
পর্যন্ত
খাবে
না।
যা
খেলে
মৃত্যু
পর্যন্ত
হতে
পারে।
কারণ
ডালের
নমুনায়
বলছে
- এগুলি
বিষ।
তাই
এগুলি
বিক্রি
করা
যাবে
না।
গাড়ি
থেকে
বস্তা
নামানোর
পর
সঙ্গে
সঙ্গে
স্থানীয়
কাউন্সিলরকে
বিষয়টি
দেখানো
হয়েছে।
তিনি
বলেছেন
মহাকুমার
শাসককে
পচা
ডালের
বিষয়ে
অবগত
করবেন।
তবে
এই
দৃশ্যটি
সামনে
আসার
পর
প্রশ্ন
উঠতে
শুরু
করেছে
এই
ব্যর্থতা
কার?
সরকারিভাবে
প্রদান
করা
খাবার
সামগ্রীতে
একক
ভেজাল
কার
দৌলতে।
খবর
লেখা
পর্যন্ত
এই
ভেজাল
ডাল
নিয়ে
মহকুমা
প্রশাসনের
কোন
আধিকারিক
কিংবা
নিচু
স্তরে
কোন
কর্মী
মুখ
খুললেন
নি।
জানা
যায়
দপ্তরের
আধিকারিকের
বানানো
গল্পের
অপেক্ষায়
আছেন
দপ্তরের
আধিকারিক।
তিনি
যেভাবে
বলবেন
সেভাবেই
মুখ
খুলবেন
আধিকারিকরা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান