স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৭
অক্টোবর : মঙ্গলবার
নরসিংগড়
প্রাথমিক
স্বাস্থ্য
কেন্দ্রের
ভূমিপূজায়
উপস্থিত
হয়ে
ভিত্তি
প্রস্তর
স্থাপন
করলেন
মুখ্যমন্ত্রী
ডাঃ
মানিক
সাহা।
অনুষ্ঠানের
বক্তব্য
রাখতে
গিয়ে
মুখ্যমন্ত্রী
বলেন,
কেউ
কোনদিন
ভাবতে
পারে
নি
ত্রিপুরা
রাজ্যে
কিডনি
প্রতিস্থাপন
হবে।
সেই
জায়গায়
দাঁড়িয়ে
ইতিমধ্যে
ত্রিপুরায়
১১
জন
রোগীর
কিডনি
প্রতিস্থাপন
করা
হয়েছে।
আগামীদিনে
রাজ্যে
হার্ট,
লিভার
প্রতিস্থাপনের
চেষ্টা
চলছে।
সৎ
ইচ্ছা
থাকলে
সবকিছু
সম্ভব।
মা
ও
শিশুদের
জন্য
জিবি
হাসপাতালে
নতুন
ভবন
নির্মাণ
করা
হচ্ছে।
বিলোনিয়াতেও
মা
ও
শিশুদের
জন্য
পৃথক
একটি
শাখা
খোলার
জন্য
কাজ
শুরু
হয়েছে।
খোয়াই
ও
সিপাহীজলা
জেলায়
নতুন
জেলা
হাসপাতাল
নির্মাণের
কাজ
শুরু
হয়েছে।
জিরানিয়া,
মোহনপুর,
উদয়পুরে
মহকুমা
হাসাপাতালের
জন্য
বিল্ডিং
নির্মাণ
করা
হচ্ছে।
চুক্ষু
হাসপাতালের
জন্য
বিল্ডিং
নির্মাণের
কাজ
শুরু
হয়ে
গেছে।
চুক্ষু
হাসপাতালটি
হয়ে
গেলে
চোখের
চিকিৎসার
জন্য
মানুষকে
আর
বাইরে
যেতে
হবে
না।
সকল
হাসপাতাল
গুলিতে
ডিজিটাল
পরিষেবা
চালু
করার
চেষ্টা
চলছে।
যাতে
করে
রোগীদের
কোন
কাগজপত্র
নিয়ে
হাসপাতালে
যেতে
না
হয়।
সঠিক
সময়ে
সঠিক
রোগ
নির্ণয়
করা
না
গেলে
সঠিক
চিকিৎসা
পরিষেবা
অনেক
সময়
দেওয়া
যায়
না।
তার
জন্য
কিছুদিন
পূর্বে
মুখ্যমন্ত্রী
নিরাময়
অভিযান
শুরু
করা
হয়েছে।
তিনি
আরও
বলেন
হৃদ
রোগের
উন্নত
চিকিৎসার
জন্য
জিবি
হাসপাতালে
ক্যাথ
ল্যাব
চালু
করা
হয়েছে।
বেশিরভাগ
মানুষের
মৃত্যু
হয়
অসংক্রামক
রোগে।
এই
কারণে
মুখ্যমন্ত্রী
নিরাময়
আরোগ্য
অভিযান
শুরু
করা
হয়েছে।
ত্রিপুরা
রাজ্যে
১২৪
টি
প্রাথমিক
হাসপাতাল,
২২
টি
সামাজিক
স্বাস্থ্য
কেন্দ্র
এবং
উপ
স্বাস্থ্য
কেন্দ্রে
রয়েছে
১
হাজার
২১
টি।
বর্তমান
সরকার
চাইছে
প্রত্যন্ত
এলাকায়
চিকিৎসা
পরিষেবা
পৌঁছে
দিতে।
কোথায়
কোন
সমস্যা
হলে
বিজ্ঞান
সম্মত
ভাবে
সেই
সমস্যার
সমাধান
করা
হবে।
ত্রিপুরা
রাজ্যে
বর্তমানে
হোমিওপ্যাথি
মেডিক্যাল
কলেজ
চালু
হয়ে
গেছে।
আয়ুর্বেদিক
মেডিক্যাল
কলেজও
চালু
করে
দেওয়া
হয়েছে
গোমতী
জেলায়।
তার
আগে
ডেন্টাল
কলেজ
চালু
করা
হয়েছে।
এডিসি
এলাকায়ও
একটি
মেডিক্যাল
কলেজ
চালু
করা
হবে।
মণিপুরের
সিজা
হাসপাতালকে
জায়গা
দেওয়া
হয়েছে।
তারাও
৭০০
থেকে
৮০০
কোটি
টাকা
বিনিয়োগ
করবে।
তারা
প্রথমে
সুপার
স্পেশালিটি
হাসপাতাল
চালু
করবে।
পরবর্তী
সময়
মেডিক্যাল
কলেজ
চালু
করবে
বলে
জানান
মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি
আরও
বলেন
২০২৬-২৭ শিক্ষা
বর্ষে
রাজ্যে
২৫০
টি
মেডিক্যালের
আসন
রয়েছে।
সরকারি
বেসরকারি
মেডিক্যাল
কলেজ
মিলিয়ে
রাজ্যে
বর্তমানে
প্রায়
৫৫০
টি
এমবিবিএস-এর আসন রয়েছে।
বিডিএস-এর আসন রয়েছে
প্রায়
৬৩
টি।
ডেন্টাল
কলেজের
জন্য
নতুন
করে
বিল্ডিং
ও
হোস্টেল
নির্মাণ
করা
হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে
মুখ্যমন্ত্রী
ডাঃ
মানিক
সাহা
ছাড়াও
উপস্থিত
ছিলেন
স্বাস্থ্য
দপ্তরের
সচিব
কিরণ
গীত্তে,
প্রাক্তন
বিধায়ক
ডাঃ
দিলীপ
দাস
ও
কৃষ্ণধন
দাস
সহ
অন্যান্যরা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান