Thursday, October 15, 2026
বাড়ি রাজ্য কুম্ভ নিদ্রায় আচ্ছন্ন স্বাস্থ্য দপ্তর, ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্য পরিষেবা

কুম্ভ নিদ্রায় আচ্ছন্ন স্বাস্থ্য দপ্তর, ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্য পরিষেবা

কুম্ভ নিদ্রায় আচ্ছন্ন স্বাস্থ্য দপ্তর, ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্য পরিষেবা

 

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা।  ১৫ অক্টোবর : কুম্ভ নিদ্রায় আচ্ছন্ন স্বাস্থ্য দপ্তরের সঠিক নজরদারির অভাবে বিকাশ ত্রিপুরার স্বাস্থ্য পরিষেবা ভেঙে পড়েছে।রোগীরা সরকারি হাসপাতালে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকেও ডাক্তারের দেখা পারছেন না। ঘটনা কৈলাসহরের রাজীব গান্ধী মেমোরিয়াল মহকুমা হাসপাতালে। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে পরিষেবা অত্যন্ত বেহাল বলা চলে। হাসপাতালের চিকিৎসক সহ খোদ হাসপাতালের ইনচার্জ তথা মহকুমা মেডিকেল অফিসার প্রায়ই হাসপাতালে আসেন না। আর হাসপাতালে পা রাখলেও সময় মতো হাসপাতালে আসেন না।

এমনকি হাসপাতালের এডিএমও এবং কর্মরত কর্মচারীদের গাফিলতির কারনে হাসপাতালের অধীনে থাকা ৩৫ জন আশা কর্মীরা বিগত দুই মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। গত ১২ অক্টোবর সোমবার দুপুর বারোটায় আশা কর্মীরা হাসপাতালের এসডিএমও-র নিকট ডেপুটেশন প্রদান করতে গিয়ে পায়নি এবং বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটা পর্যন্ত আশা কর্মীরা বেতন পায়নি খবর রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় কৈলাসহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে সংকটাপন্ন রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় জরুরি বিভাগে কোন চিকিৎসক নেই। ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকলেও জরুরি বিভাগে চিকিৎসক আসেন নি। রোগীরা নিরুপায় হয়ে জানান যে, সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত সাড়ে আটটায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। কিন্তু কোন ডাক্তারের দেখা পাননি। কর্তব্যরত সিকিউরিটি গার্ডদের জিজ্ঞেস করলে সিকিউরিটি গার্ডরা জানায় যে, জরুরি বিভাগের ডাক্তার হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের দেখতে রাউন্ডে রয়েছেন। জরুরী বিভাগে চিকিৎসা করতে আসা রোগীর আত্মীয় পরিজনরা প্রশ্ন করেন যে, হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বলতে কি বুঝায়? কুড়ি পঁচিশ জন রোগী হাসপাতালের জরুরি বিভাগের বাইরে ঘন্টার পর ঘন্টা ডাক্তারের অপেক্ষা করার পর কিছু কিছু রোগীরা ক্ষুব্ধ হয়ে অন্য হাসপাতাল তথা ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে চলে যায়। অবশেষে রাত নয়টার পর রোগী দেখা হয় হাসপাতালের জরুরী বিভাগে। উল্লেখ্য, রাজ্যের জেলা ও মহকুমা হাসপাতাল গুলির মধ্যে সন্ধ্যাকালীন ও পি ডি পরিষেবা চালু করার দাবি উঠছে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে। তাহলে রোগীদের সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল। না হলে জরুরি বিভাগের উপর নির্ভর করতে হয় বহু রোগীকে।

 

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha