Thursday, October 1, 2026
বাড়ি রাজ্য ২০১৮ সালের পর ত্রিপুরা রাজ্যের গণতন্ত্রের বাতাবরণ নষ্ট হয়েছে : আশীষ কুমার সাহা

২০১৮ সালের পর ত্রিপুরা রাজ্যের গণতন্ত্রের বাতাবরণ নষ্ট হয়েছে : আশীষ কুমার সাহা

২০১৮ সালের পর ত্রিপুরা রাজ্যের গণতন্ত্রের বাতাবরণ নষ্ট হয়েছে : আশীষ কুমার সাহা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১ অক্টোবর :ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের গ্রেপ্তারের দাবিতে গণ অবস্থায় কংগ্রেসের সেবা দলের। প্রদেশ কংগ্রেস ভবনের সামনে আয়োজিত গণঅবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা, বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায় সহ অন্যান্যরা। এইদিনের গণঅবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশিস কুমার সাহা জ্ঞানেশ কুমারকে হুশিয়ারি দিয়ে বলেন আপনি প্রস্তুত থাকেন। যেই দিন এই দেশে ও রাজ্যে পালা বদল হবে সেই দিন আপনাকে জেলে যেতে হবে।

বর্তমান শাসক দল জ্ঞানেস কুমারকে বাঁচানোর জন্য সংসদে একটি বিল পাশ করিয়ে নিয়েছে। যে আইনে উল্লেখ রয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে গ্রেপ্তার করা যাবে না। প্রদেশ সভাপতি আরো বলেন, ২০১৮ সালের পর ত্রিপুরা রাজ্যে গণতন্ত্রের বাতাবরণ বিভিন্নভাবে বিনষ্ট করতে দেখা গেছে। নির্বাচন আসলে বিভিন্নভাবে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। মানুষকে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেয় শাসক দল। তারপরও যারা সাহস করে ভোটকেন্দ্রমুখী হয় তাদের উপর নির্যাতন নামিয়ে আনে। ভোটারদের এভাবে নানাভাবে বাধা দেওয়া হয়। শাসক দলের সন্ত্রাস বাহিনীরা এভাবে বাধা দিয়ে এবং ছাপ্পা ভোট করে নির্বাচনে জয়লাভ করার জন্য কাজ করে। রাজ্যবাসী এর সাক্ষী আছে। গত তিন দিন আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেশের নির্বাচন কমিশনারের বিষয় নিয়ে সাফাই গেয়েছেন। কিন্তু এই মুখ্যমন্ত্রী প্রথম যখন উপ নির্বাচনে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন তখন কিভাবে তিনি ছাপ্পা ভোটে জয়লাভ করেছেন সেটা রাজ্যের মানুষ জানে। যার কারনে তিনি ছাপ্পা ভোটের মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর কাছে। এখন উনার মুখ থেকে স্বচ্ছ ভোটের কথা শুনতে হবে? তিনি সাফাই গান তার পক্ষে, যে সারা দেশে নির্বাচনকে কলঙ্কিত করেছেন এবং শাসক দলের হয়ে গোটা দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাঠ পুতুল হয়ে কাজ করেছেন।

এবং মুখ্যমন্ত্রী বিরুদ্ধে আরো বলেন, ডাক্তার মানিক সাহার আমলে রাজ্যে কোন নির্বাচন স্বচ্ছতা মাধ্যমে হয়নি। তিনি জিরো টলারেন্স নিয়ে বলছেন। অথচ গোটা রাজ্যে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে আছে। আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি, সংঘবদ্ধ লুটপাট চলছে, বেকাররা উপেক্ষিত। মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে আরো বলেন, আপনার দল রাতের বেলা মানুষকে শান্তিতে ঘুমাতে দেয় না। এবং এই দল প্রতিটা দপ্তরে দপ্তরে মানুষের অধিকার জবরদখল করে নিয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের আরক্ষা প্রশাসনকে অপপ্রয়োগ করা হচ্ছে। এভাবেই সরকারকে কাঠগোড়ায় করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha