স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা।
২৬
সেপ্টেম্বর
: সন্তানের মুখে খাবার
তুলে
দিতে
দিনভর
রোদ
বৃষ্টি
মাথায়
নিয়ে
ভিক্ষা
করে
বহু
মা।
আবার
কোন
মা
সন্তানের
চিকিৎসার
জন্য
সর্বস্ব
বিক্রি
করে
নিঃস্ব
হয়ে
নিজের
রক্ত,
কিডনি
পর্যন্ত
বিক্রি
করে
দিতে
চায়।
কারণ
মা
ও
সন্তানের
যে
সম্পর্কটা
সেটা
চেয়ে
পবিত্র
কোন
সম্পর্ক
হয়
না।
একটা
নিঃস্বার্থ
সম্পর্ক
মা
ও
সন্তানের
হয়।
কিন্তু
এই
সম্পর্কের
সংজ্ঞা
পাল্টে
দিলেন
এক
পাষণ্ড
গর্ভধারী
মা।
পর
পুরুষের
হাত
ধরে
মনুষ্যত্ব
হারালেন
এই
গর্ভধারিনী।
মধুর
প্রেমের
জন্য
নিজের
সন্তানের
খুন
করলেন
তিনি।
পাষণ্ড
পর
পুরুষকে
সঙ্গে
নিয়ে
নিজের
গর্ভে
ধারণ
করা
মাত্র
তিন
বছরে
শিশুকন্যাকে
খুন
করল
বলে
অভিযোগ।
ঘটনা গান্ধীগ্রাম
সাহাপাড়া
এলাকায়।
ফুটফুটে
শিশু
কন্যাটির
নাম
সন্দীপা
নট্ট।
ঘটনার
বিবরণে
জানা
যায়,
গত
দেড়
মাস
আগে
পারিবারিক
বিভিন্ন
ঝামেলাকে
ইস্যু
বানিয়ে
তিন
বছরের
শিশু
কন্যাকে
নিয়ে
স্বামী
সংসার
ছেড়ে
বাপের
বাড়িতে
চলে
যান
সাগরিকা
নামে
গৃহবধু।
তারপর
বহুবার
শ্বশুরবাড়িতে
গিয়ে
স্ত্রীকে
ফিরিয়ে
আনতে
চেয়েছেন
স্বামী
সুবীর
নট্ট।
কিন্তু
বাপের
বাড়ি
থেকে
গৃহবধূ
আর
শ্বশুরবাড়িতে
আসেননি।
শুক্রবার
দুর্গাবাড়ি
স্থিত
গান্ধীগ্রাম
এলাকায়
মেয়ের
শ্বশুর
বাড়িতে
আসেন
গৃহবধূ
মা।
সঙ্গে
করে
নাতনিকে
নিয়ে
আসেন।
শাশুড়ি
জামাতার
কাছে
বলেন
মেয়ে
দুর্জয়নগর
এলাকায়
রাখি
নামে
তার
এক
বোনের
সঙ্গে
ঘুরতে
গেছেন।
তারপর
তিন
বছরের
শিশু
কন্যা
বাড়ি
গেটে
খেলা
করার
সময়
আসেন
গৃহবধূ
সাগরিকা
এবং
তার
পর
পুরুষ।
আচমকা শিশু
কন্যাকে
রাস্তায়
ডেকে
গাড়ি
দিয়ে
পিষে
ঘটনাস্থল
থেকে
পালিয়ে
যায়
পাষণ্ড
মা
ও
তার
পর
পুরুষ
বলে
অভিযোগ।
এ
হাড়
হিম
করা
দৃশ্য
প্রত্যক্ষ
করেন
গৃহবধূর
মা।
পরে
আশেপাশের
লোকজন
এসে
দমকল
কর্মীদের
খবর
দেয়।
দমকল
কর্মীরা
ঘটনাস্থলে
এসে
মৃতদেহ
উদ্ধার
করে
জিবি
হাসপাতালের
মর্গে
নিয়ে
আসে।
এই
ঘটনায়
ঘিরে
জিবি
হাসপাতাল
চত্বরে
ব্যাপক
চাঞ্চল্য
সৃষ্টি
হয়
শুক্রবার
রাতে।
এই
ঘটনায়
শোকের
ছায়া
নেমে
এসেছে
এলাকায়।
এলাকাবাসী
অভিযুক্ত
মায়ের
এবং
অভিযুক্ত
ব্যক্তির
ফাঁসির
দাবি
করেন।
এদিকে
প্রতাপগড়
এলাকা
থেকে
গৃহবধূ
অর্থাৎ
শিশুটির
মা
সহ
কয়েকজনকে
আটক
করে
জিবি
হাসপাতালে
নিয়ে
আসে
স্থানীয়
যুবকরা।
শিশুদের
মা
সংবাদ
মাধ্যমের
কাছে
দাবি
করেন
কিভাবে
দুর্ঘটনা
ঘটেছে
তিনি
এই
বিষয়ে
অবগত
নয়।
ঘটনার
সময়
তিনি
সেখানে
ছিলেন
না।
তার
মায়ের
কাছে
সন্তানকে
রেখে
জন্মদিনে
গিয়েছিলেন।
পরবর্তী
সময়ে
প্রতাপগড়
এলাকা
থেকে
স্থানীয়
ক্লাবের
কিছু
যুবক
সহ
অন্যান্যরা
তাদের
আটক
করে।
গাড়িতে
রাহুল
নামে
এক
যুবক
সহ
তার
বোন
রাখি
ও
কয়েকজন
উপস্থিত
ছিলেন।
তবে
এই
ঘটনায়
সকলে
মনে
করেন
শিশুটির
দুর্ভাগ্য
এমন
গর্ভধারিনের
কোলে
জন্ম
হওয়া।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান