স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৭ আগস্ট
: রাস্তা
সংস্কার
না
হলে
ভোট
বয়কট
করবে
বলে
সাফ
জানিয়ে
দিল
মন্ত্রী
শুক্লা
চরণ
নোয়াতিয়ার
বিধানসভা
কেন্দ্রের
ভোটাররা।
জনজাতির
ভোটারদের
অভিযোগ,
জোলাইবাড়ি
বিধানসভা
কেন্দ্রের
চরমপাই
পাড়ার
এবং
মধুলা
সর্দার
পাড়ার
যাতায়াতের
রাস্তা
নিয়ে।
ভিলেজ
কমিটির
নির্ঘণ্ট
ঘোষণা
হওয়ার
পর
শুরু
হয়েছে
দর
কষাকষি।
কিন্তু
সাধারন
মানুষ
কি
পেয়েছে
বা
কি
পায়নি
তা
নিয়ে
একেবারে
নজর
নেই।
২০১৮
সালে
রাজ্যে
এবং
২০২১
সালে
পাহাড়ে
পালা
বদল
হতেই
ব্যক্তিগত
উন্নয়নে
মাইলিজ
পেয়েছে।
জনগণের
উন্নয়নকে
জলাঞ্জলি
দিয়ে
তথাকথিত
জনজাতি
দরদী
নেতারা
রাতারাতি
কলা
গাছ
ফুলে
আঙ্গুল
ফল
হয়ে
উঠছে।
যা
বলার
অপেক্ষা
রাখে
না।
যার
কারনে
মানুষ
তিতি
বিরক্ত
মন্ত্রী
এবং
এমডিসিদের
উপর।
কারণ
বর্ষা
শুরু
হতেই
ফের
বেহাল
দশা
জোলাইবাড়ি
বিধানসভা
কেন্দ্রের
চরমপাই
পাড়ার
এবং
মধুলা
সর্দার
পাড়ার
যাতায়াতের
রাস্তার।
দীর্ঘদিন
ধরে
কাঁচা
অবস্থায়
থাকা
এই
রাস্তা
বর্ষার
জলে
কর্দমাক্ত
হয়ে
পড়ায়
চরম
দুর্ভোগের
শিকার
হচ্ছেন
পথচারী
থেকে
শুরু
করে
স্থানীয়
বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের
অভিযোগ,
রাস্তার
বিভিন্ন
অংশে
বৃষ্টির
জল
জমে
তৈরি
হয়েছে
কাদা
ও
বড়
বড়
গর্ত।
ফলে
প্রতিদিন
ঝুঁকি
নিয়ে
চলাচল
করতে
হচ্ছে
সাধারণ
মানুষকে।
বিশেষ
করে
ছাত্রছাত্রী,
বয়স্ক
ব্যক্তি
ও
অসুস্থ
রোগীদের
যাতায়াতে
সমস্যার
মুখে
পড়তে
হচ্ছে
বলে
অভিযোগ।
গ্রামবাসীদের
একাংশের
ক্ষোভ,
বছরের
পর
বছর
ধরে
রাস্তার
সমস্যার
কথা
সংশ্লিষ্ট
মহলের
নজরে
আনা
হলেও
স্থায়ী
সমাধান
হয়নি।
বর্ষা
এলেই
কাঁচা
রাস্তার
পরিস্থিতি
আরও
ভয়াবহ
হয়ে
ওঠে।
ফলে
কার্যত
কাদা-পাঁক
পেরিয়েই
চলাচল
করতে
হচ্ছে
আমজনতাকে।এদিকে
রাস্তার
এই
দুরবস্থা
নিয়ে
স্থানীয়দের
মধ্যে
ক্ষোভ
ক্রমশ
বাড়ছে।
সমস্যার
দ্রুত
সমাধান
না
হলে
আগামী
দিনে
ভোট
বয়কটের
পথেও
হাঁটার
হুঁশিয়ারি
দিয়েছেন
গ্রামবাসীদের
একাংশ।
এখন
দেখার
বিষয়,
সংবাদ
প্রকাশের
পর
জোলাইবাড়ি
ব্লক
প্রশাসন
ও
সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষ
বিষয়টি
কতটা
গুরুত্ব
দিয়ে
দেখেন।
সাধারণ
মানুষের
দীর্ঘদিনের
এই
দুর্ভোগ
নিরসনে
কী
ধরনের
পদক্ষেপ
গ্রহণ
করেন।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান