স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
২৪ আগস্ট :পূর্ব আগরতলা
থানার ওসি এবং এয়ারপোর্ট থানার ওসি মামলা না নেওয়ার কারণে চাকুরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত
হওয়ার পরেও হুঁশ ফিরছে না ত্রিপুরা পুলিশের। এবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে বিশালগড়
থানা পুলিশ। বিশালগড় থানার পুলিশ এক মারধোরের ঘটনার মামলা গ্রহন না করে গুন্ডাদের
পক্ষ নিয়ে রোগীকে হাসপাতালে ফোন করে মীমাংসার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ। জানা
যায়, বিকাশ বিশ্বাস সবজি বিক্রেতা। তার বাড়ি রবীন্দ্র ঠাকুর মহাবিদ্যালয় সংলগ্ন
এলাকায়।
গত শুক্রবার রাতে সবজি বিক্রি করে বাড়ি ফেরার সময়
রাস্তার পাশে একটি চায়ের দোকানে বসে বিশ্রাম করছিলেন। তখন নিতাই দাস এসে দোকানের সামনে
মাটিতে পড়ে যায়। পরে বিকাশকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। তখন প্রতিবাদ করতেই
বিকাশ বিশ্বাসের উপর হামলা চালায় নিতাই দাস, তার স্ত্রী রুপা দাস এবং তার ছেলে সৌরভ
দাস। বর্তমানে বিকাশ জিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর বিকাশের বোন থানায় মামলা
করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করছে না। পুলিশ হাসপাতালে রোগীকে এবং তার পরিবারকে ফোন
করে বলছেন নিতাই দাসের পরিবার ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেবে। মামলা না করার জন্য। বিষয়টি থানায়
এসে মীমাংসা করতে বলছে। এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেন বিকাশের
বোন। পরিবারের প্রশ্ন পুলিশকে ভারতের সংবিধান মীমাংসা করার অধিকার দেয়নি। অভিযোগ অনুযায়ী
মামলা হাতে নিয়ে অভিযুক্তদের আদালতে দাঁড় করানো পুলিশের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব থেকে
পুলিশ পিছু হাটতে পারে না এবং মামলা না নিয়ে এভাবে গুন্ডাদের পক্ষ নিয়ে চাপ সৃষ্টি
করতে পারে না।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান