Friday, August 14, 2026
বাড়ি রাজ্য বিশালগড়ে বি.এম.এস -এর নামে চলছে কমরেডদের রাজত্ব, আইন কানুন তলানিতে

বিশালগড়ে বি.এম.এস -এর নামে চলছে কমরেডদের রাজত্ব, আইন কানুন তলানিতে

বিশালগড়ে বি.এম.এস -এর নামে চলছে কমরেডদের রাজত্ব, আইন কানুন তলানিতে

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৪ আগস্ট : সুশাসন জামানায় বাম আমলে চাঁদার সংস্কৃতি বদলায়নি। নামী বেনামী সংগঠন বানিয়ে সাধারণ মানুষকে লুট করার চরিত্র আগের মতই রয়ে গেছে কমরেডদের। কারণ সংগঠনের নেতাদের খোলস বদলে গেরুয়া হয়েছে, কিন্তু অভ্যাসে ময়লা রয়ে গেছে নেতাদের। যা আবারো প্রমাণ করলো বিশালগড়। সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে এই বিশালগড়ের বাইপাসের নাম।

অভিযোগ, সিমনা বিধানসভার কেন্দ্রের সুরজ রায় নামে এক গাড়ি চালক রাবারের চারা আনতে বজ্রপুর গিয়েছিলেন শুক্রবার সকালে। বিশালগড় বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছাতেই তার টিআর ০১ এস ১৫৯২ নম্বরের গাড়িটি দাঁড় করায় ভারতীয় মজদুর সংঘ অনুমোদিত ত্রিপুরা ক্ষুদ্র পণ্যবাহী চালক সংঘের নেতারা। গাড়ি চালক সুরজ রায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে বলে ছাড়পত্র দেখাতে। তখন সুরজ বলেন, অটো, বাস সহ বিভিন্ন গাড়ির সেন্টিগ্রেট থাকলেও মালগাড়ির কোন সেন্টিগ্রেট হয় না। বিভিন্ন জায়গায় গাড়ি নিয়ে গেলে পার্কিংয়ের জন্য টাকা দিতে হয়, কিন্তু কোন ছাড়পত্রের বিষয় আসে না। বি এম এস -এর চুনোপুঁটি নেতারা পাল্টা সুরজকে বলে বেশি কথা না বলে ১০০ টাকা দিতে। সুরজ প্রথম অবস্থায় রাজি না হলে তাকে হুমকি দিয়ে বলে গাড়ি নাকি সেন্টিগ্রেটে ঢুকিয়ে দেবে। তারপর আর গাড়ি বের করতে পারবে না। তারপর সুরজ বলে, আপনারা যদি গাড়ি রেখে দেন তাহলে পুলিশের কাছে যাবে। তখন নেতারা বলেন, পুলিশ কোন কিছু করতে পারবে না। সবকিছু তাদের হাতে। শেষ পর্যন্ত নিরুপায় হয়ে ১০০ টাকা দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ফিরলেন সুরজ। তিনি বিষয়টি এলাকার বিধায়ক সুশান্ত দেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। উল্লেখ্য, রং পাল্টেছে কিন্তু কমরেডদের অভ্যেস পাল্টায়নি। তোলাবাজি, চাঁদাবাজি গিলে খাচ্ছে ত্রিপুরার সাধারণ মানুষকে। এভাবেই রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক বহু রাষ্ট্রবাদী ভক্ত কমরেড। আগে কমরেডরা মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন চাঁদার নাম করে সকালবেলা বাড়ি ঘরের দরজায় দাঁড়াতেন, বর্তমানে সেই চাঁদার সংস্কৃতি বাড়ি ঘরে না থাকলেও বিভিন্ন মোটরস্ট্যান্ড, রাস্তার মোড়ে মোড়ে এবং কর্মচারী সংগঠনের নেতাদের অফিসে রয়ে গেছে। তবে এই ঘটনা প্রমাণ করেছে কতটা দুঃশাসন বিশালগড়কে গ্রাস করেছে।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha