স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
৪
আগস্ট:নাবালক
বাইক
চালকের
যন্ত্রণায়
অতিষ্ঠ
পথচারীরা।
পুলিশ
প্রশাসনকে
বুড়ো
আঙ্গুল
দেখিয়ে
প্রতিদিন
আগরতলা
থেকে
শুরু
করে
গোটা
রাজ্যে
আইন
ভাঙছে
বহু
নাবালক।
কিন্তু
পুলিশ
প্রশাসন
আইন
অনুযায়ী
ব্যবস্থা
নিতে
ব্যর্থ।
আর
ব্যর্থতার
কারণে
ঝরে
যাচ্ছে
বহু
তরতাজা
প্রাণ।
এবার
তেলিয়ামুড়া
লালটিলা
এলাকায়
দুই
নাবালকের
বাইকের
ধাক্কায়
মৃত্যু
হল
৭৫
বছর
বয়সী
প্রবীণ
নাগরিকের।
ঘটনার
বিবরণে
জানা
যায়,
মঙ্গলবার
সকালে
লালটিলা
এলাকার
হলদিছড়া
স্কুলের
কাছে
রাস্তার
পাশে
দাঁড়িয়ে
ছিলেন
স্বপন
চৌধুরী।
তখন
দ্রুত
গতিতে
এসে
একটি
বাইক
ধাক্কা
দিয়ে
নিজেরা
নিয়ন্ত্রণ
হারিয়ে
দুর্ঘটনায়
পড়ে।
সঙ্গে
সঙ্গে
খবর
দিয়ে
দমকল
কর্মীদের।
দমকল
কর্মীরা
এসে
আহত
প্রবীন
নাগরিক
ও
নাবালক
বাইক
চালক
এবং
সহ
চালককে
উদ্ধার
করে
তেলিয়ামুড়া
হাসপাতালে
নিয়ে
যায়।
তেলিয়ামুড়া
হাসপাতাল
থেকে
প্রবীণ
নাগরিককে
রেফার
করা
হয়
জিবি
হাসপাতালে।
জিবি
হাসপাতালে
আনার
পর
চিকিৎসাধীন
অবস্থায়
কিছুক্ষণের
মধ্যেই
মৃত্যু
হয়
প্রবীণ
নাগরিক
স্বপন
চৌধুরীর।
এদিকে
দুর্ঘটনার
পর
নাবালক
বাইক
চালক
এবং
তার
বন্ধু
অর্থাৎ
সহ
চালক
আটক
হয়েছে।
উল্লেখ্য,
এই
ঘটনা
পুলিশকে
আবারো
চোখে
আঙুল
দিয়ে
দেখিয়ে
দিল
রাজ্যে
নাবালক
বাইক
চালকদের
দাপাদাপি
বেড়ে
চলেছে।
কোন
প্রকার
কড়া
পদক্ষেপ
নেই
নাবালক
বাইক
চালকের
অভিভাবকদের
বিরুদ্ধে।
অথচ
আইনের
রয়েছে
লাইসেন্স
এবং
রেজিস্ট্রেশন
বাতিল
করে
দেওয়া
এবং
২৫
হাজার
টাকা
জরিমানা
সহ
জেল।
সেই
নিয়ম
কানুন
কতটা
বাইকের
মালিকের
বিরুদ্ধে
নেওয়া
হচ্ছে
সেটা
প্রশ্ন
উঠে।
কারণ
আইন
কাগজে-কলমে থাকলেও
পুলিশ
ম্যানেজ
হয়ে
যাচ্ছে
পয়সায়।
যা
বলার
অপেক্ষা
রাখে
না।
এমনকি
বিদ্যালয়গুলির
মধ্যে
পর্যন্ত
নাবালক
ছেলেরা
বাইক
নিয়ে
যাচ্ছে।
প্রধান
শিক্ষক
সহ
বিদ্যালয়ের
শিক্ষক
শিক্ষিকাদের
কোনরকম
শাসন
নেই
বলা
চলে।
অন্তত অভিভাবকদের
ডেকে
কড়া
ব্যবস্থা
গ্রহণ
করলে
বেঁচে
যায়
বহু
প্রাণ।
না
হলে
উশৃঙ্খলা
তার
চরম
সীমায়
পৌঁছে
যাওয়ার
পাশাপাশি
মানুষের
জীবন
কেড়ে
নিচ্ছে
উম্মাদ
গতির
বাইক।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান