স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক,
আগরতলা। ২৯ জুলাই : রাজ্যে শিক্ষামন্ত্রীর দরকার। বুধবার এই দাবি উঠল চাকরি প্রত্যাশী
বেকার মহল থেকে। ২০২৩ সালে বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো ভারতীয় জনতা পার্টির
নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী হলেন মুখ্যমন্ত্রী
ডাক্তার মানিক সাহা। কিন্তু আড়াই বছরের মাথায় এসে শিক্ষামন্ত্রী নিয়ে প্রশ্নবোধক
চিহ্ন দাঁড় করালো বেকার মহল। ২০২৪ সালের টেট ওয়ান এবং টেট টু পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
চাকরি প্রত্যাশী যুবক যুবতীরা বুধবার টি আর বি টি বোর্ড চত্বরে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভে
শামিল হয়। তারা অভিযোগ তোলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে।
পাশাপাশি রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী নিয়ে তারা আঙ্গুল
তুলেছেন। তারা বলেন, ২০২৪ সালে টেট ওয়ান এবং টেট টু পরীক্ষার জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়ার
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছিল। নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর চাকুরী পরীক্ষায়
বসে বহু যুবক-যুবতী। ২০২৫ সালের পরীক্ষার বসার পর উত্তীর্ণ হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮০০
জন। অথচ এখন পর্যন্ত তাদের মেরিট লিস্ট প্রকাশ করা হয়নি। বহুবার তালিকা প্রকাশের দাবিতে
টিআরবিটি -র দারস্থ হয়েছেন তারা। গত মে মাসে মেরিট লিস্ট প্রকাশ করার কথা ছিল। কিন্তু,
তালিকা প্রকাশ করতে চাইছে না নিয়োগ প্রক্রিয়ার বোর্ড।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোর্ডের
পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় ৮ জন মামলা করেছে। তাই তারা ইতিমধ্যে তালিকা প্রকাশ করতে
পারছে না। কিন্তু চাকরি প্রত্যাশীদের দাবি অবিলম্বে তালিকা প্রকাশ করে তাদের সকলকে
চাকরি দেওয়ার জন্য। তারা আরও অভিযোগ তুলেন রাজ্যে কোন শিক্ষামন্ত্রী নেই। মুখ্যমন্ত্রীই
শিক্ষামন্ত্রীর! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তারা দেখা করতে পারছেন না। তাই শিক্ষা মন্ত্রীর
প্রয়োজন বলে সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায় বললেন তারা। এদিকে যুগ্ম অধিকর্তা দিলীপ কুমার
দেববর্মা বলেন, চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে আন্তরিক
সরকার এবং টিআরবিটি বোর্ড। তবে বেকার মহলের পছন্দ-অপছন্দের উপর কি নির্ভর করবে এবার
শিক্ষা মন্ত্রী? গত শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন।
সেই আন্দোলনের প্রভাব কি এবার রাজ্যের বেকার মহলের উপর চেপে বসেছে? এই প্রশ্ন শুভ বুদ্ধি
সম্পন্ন মহলের মধ্যে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান