স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক,
আগরতলা। ২৯ জুলাই : হাওড়া নদীর ভাঙ্গন রোধে অবৈজ্ঞানিক ও নিম্মমানের কাজের অভিযোগ।
অভিযোগ, নদীর ভাঙ্গন রোধে জিরানিয়া মহকুমা শাসক, এস.ডি.ও পি.ডব্লিউ.ডি -এর বদান্যতায়
ক্ষুব্ধ নদীর তীরবর্তী বাসিন্দা থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা। ঘটনা জিরানিয়া মহকুমার
চম্পকনগর এলাকায়। এলাকাবাসীর বক্তব্য নদীর তীরবর্তী ভিটে মাটি দিন দিন নদীর জলে তলিয়ে
যাওয়ায় সরকার নদীর পাড়ে বুল্ডার দিয়ে নদী ভাঙ্গন বন্ধে সিদ্বান্ত নেয়। কাজ শুরু
হলে দেখা যায় সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক ও খুবই নিন্মমানের। যা দেখে স্থানীয়রা অভিযোগ জানালেও
পাত্তা দেননি জিরানিয়া মহকুমা শাসক, এস.ডি.ও পি ডব্লিউ ডি বলে অভিযোগ।
স্থানীয় এক প্রবীণ নাগরিক বাসন দেবনাথ জানান, নদীর
পার থেকে মাটি তুলে নেওয়া হচ্ছে। এতে করে আরো বিপদজনক অবস্থা তৈরি হচ্ছে। কবে এই শূন্যস্থান
পূরণ করা হবে জানা নেই। আরো অভিযোগ এই অবজ্ঞানিক ও নিম্নমানের কাজের পেছনে প্রশাসনের
পাশাপাশি অন্য কোনো অবৈধ চক্রের যোগসাজশ থাকতে পারে। তাই সরকার যেন এই কাজের গুণগত
মান যাচাই করে। না হলে জনগণের অর্থে যে উন্নয়নমূলক কাজ চলছে সেটা বিফলে যাবে।
জনগণের পয়সা এভাবেই আদ্ধশ্রাদ্ধ চলছে এলাকায়। আরো
বলেন ২০১৭ সালে পূর্বতন সরকারের আমলে এলাকার তৎকালীন মন্ত্রী মানিক দে নেতৃত্বে এক
কোটি টাকা ব্যয় করে বোল্ডার বসানো হয়েছিল। এখন একটি বোল্ডারও নেই। এবার মহকুমা শাসক
যখন এলাকাবাসীকে ডেকে বোল্ডার বসানো হবে বলে জানিয়েছিলেন তখন উনাকে বলা হয়েছিল যেন
দেওয়াল দেওয়া হয়। কারণ বোল্ডার পরবর্তী সময় উধাও হয়ে যায়। তখন মহকুমা শাসক বলেছিলেন
দেওয়াল করে দেওয়ার জন্য অর্থ বরাদ্দ নেই। সুতরাং বোল্ডার বসিয়েই এলাকার বাজার এবং
বাড়িঘর রক্ষা করা হবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে কথার সঙ্গে কাজের মিল নেই। শুধুমাত্র
এলাকাবাসীকে কিছু বছর পর পর হয়রানি করে চলেছে প্রশাসন। এমনটাই দাবি করলেন সংবাদমাধ্যমে
মুখোমুখি হয়ে প্রবীণ নাগরিক বাসন দেবনাথ। পাশাপাশি এলাকাবাসী আরও দাবি করেন, এমনকি
নদী ভাঙ্গনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলির মিলছে না নূন্যতম সরকারি সহযোগিতা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান