বাড়িরাজ্যদিব্যাঙ্গ তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে এক অভিযুক্তের দশ বছরের কারাদন্ড

দিব্যাঙ্গ তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে এক অভিযুক্তের দশ বছরের কারাদন্ড

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৫ জুন : দিব্যাঙ্গ তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করল ঊনকোটি জেলার জেলা ও দায়রা আদালত। ঘটনার বিবরণে জানা যায় কৈলাসহরের চিরাকুটি এলাকার এক বাড়িতে দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে গৃহপরিচারিকার কাজ করত এক দিব্যাঙ্গ তরুণী। বাড়ির মালিকের ছেলের বিয়ের দিন বড় যাত্রীর গাড়ি রাতের বেলায় বড়যাত্রী নিয়ে আসার পর ঐ তরুণী বাড়ির বাইরে যায়। এই সুযোগে গাড়ি চালক শঙ্কর দাস ঐ তরুণীকে জোর পূর্বক তার গাড়িতে তুলে গাড়ির দরজা লক করে দেয়।

এবং গাড়ির অভ্যন্তরে তরুণীকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর তরুণীকে হুমকি দেওয়া হয় ধর্ষণের বিষয়ে সে কাউকে কিছু জানালে তাকে প্রানে মেরে ফেলা হবে। যথারীতি তরুণী কাউকে কিছু জানায় নি। ঘটনার প্রায় ৮ মাস পর তরণীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে সকলের সন্দেহ হয়। তখন তরুণীকে প্রশ্ন করা হলে তরুণী গোটা ঘটনার বিষয়ে খুলে বলে। সাথে সাথে তরুণীকে নিয়ে যাওয়া হয় দাক্তারের কাছে। তখন দেখা যায় তরুণী ৮ মাসের গর্ভবতী। ঘটনার পর তরুণীর এক নিকটাত্মীয় ২০২২ সালের ৪ নভেম্বর কৈলাসহর মহিলা থানায় অভিযুক্ত শঙ্কর দাসের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারি অফিসার ঘটনার তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। তারপর ঊনকোটি জেলার জেলা ও দায়রা আদালতে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিচার প্রক্রিয়া চলাকালিন সময় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য বাক্য গ্রহণ করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করে। আদালত আসামি শঙ্কর দাসকে ১০ বছর কারাবাস সাথে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাবাসের সাজা ঘোষণা করে। আদালতের এই রায়ের বিষয়ে জানান সরকার পক্ষের আইনজীবী। জানা যায় গর্ভবতী ঐ তরুণী পরবর্তী সময় একটি সন্তানের জন্ম দেন। বর্তমানে তরুণী ও তার সন্তান একটি হোমে রয়েছে।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য