স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৪ জুন : কলঙ্কে মুখ ঢাকতে পারছে না সুশাসন জামানা। নিরীহ মানুষের উপর জনপ্রতিনিধির ক্ষমতা দেখানোর চেষ্টা। ফলে ধলাই জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুস্মিতা দাসের স্বামী বিবেক দাসের উপর গুরুতর অভিযোগ তুলেছে সভাধিপতির গাড়ি চালক শান্তিরঞ্জন দাস। বুধবার কমলপুর প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি বিস্তারিত তুলে ধরেন। তার অভিযোগ জেলা সভাধিপতির স্বামী শান্তি রঞ্জন দাসকে প্রাণে মারার চেষ্টা করেন গত ২২ জুন আগরতলা ভগৎ সিং যুব আবাসের সামনে। অভিযোগ, ২২ জুন ভগৎ সিং যুব আবাসে সভাধিপতির বৈঠকের নির্ধারিত দিন ছিল।
সকালবেলা তারা কমলপুর থেকে রওয়ানা দেওয়ার পূর্বে সভাধিপতি ও তার স্বামীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। যার ফলে সভাধিপতির স্বামীকে ছাড়াই রওয়ানা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। সেই মতো চালক গাড়ি নিয়ে আগরতলা যায়। সভাধিপতি ভগৎ সিং যুব আবাসে প্রবেশ করলে গাড়িচালক গাড়িতেই বসেছিলেন। তখন সভাধিপতির স্বামী বিবেক দাস গাড়িচালক শান্তি রঞ্জন দাসকে ফোন করে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ। জবাবে গাড়ি চালক জানান তিনি সভাধিপতির নির্দেশে গাড়ি নিয়ে গেছেন। মিটিং চলাকালীন বিবেক দাস আরেকটি গাড়ি নিয়ে আগরতলা ভগৎ সিং যুব আবাসের সামনে পৌঁছে গাড়ি চালক শান্তিকে মারধর শুরু করে। উপায়ন্তর না পেয়ে শান্তি জেলাধিপতির পিজি ননীগোপাল দাসকে ফোন করে। তখবন বিবেক একটি মদের বোতল নিয়ে শান্তির মাথায় আঘাত করতে গেলে পিজি ননীগোপাল দাস তাকে আটকায়।
এমন সময় বৈঠক শেষ করে জেলাধিপতি বের হয়ে আসলে গাড়িচালক শান্তি সমস্ত ঘটনা জানায়। বিচার চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চান। তারপর গাড়ি রাধানগর বাস স্ট্যান্ডে গাড়ি থামিয়ে সে এনসিসি থানায় গিয়ে ঘটনা জানায়। তখন থানা থেকে জানানো হয় গাড়িটা নিয়ে যাওয়ার জন্য। সে গাড়ি নিয়ে থানায় যায়। তখন কমলপুর থানা থেকে গাড়ি চালক শান্তিরঞ্জনকে ফোন করে বলা হয় গাড়ি চুরির অভিযোগ হয়েছে। তখন তিনি বলেন, সভাধিপতির গাড়ি সহ এনসিসি থানায় আছে। এরপর সভাধিপতি তার ও স্বামী আরও দুইজন এনসিসি থানায় গিয়ে গাড়ির কাগজপত্র দেখিয়ে গাড়ি নিয়ে আসার চেষ্টা করেন। তখন গাড়িচালক শান্তিরঞ্জন দাস দাবি করেন বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তিনি গাড়ি আনতে দেবেন না। এরপরই শান্তিরঞ্জন কান্তি রঞ্জন ও তার ভাইকে এন সি সি থানার পুলিশ আটকে রাখে। এদিকে সভাধিপতি ও তার স্বামী গাড়ি নিয়ে চলে আসে।

