স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৪ মে : ধর্মনগর আসনে উপনির্বাচনে কংগ্রেসের ব্যর্থতা স্বীকার করে নিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। সোমবার ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেন, বিজেপি-র জয় প্রত্যাশিত ছিল। এই জয়ে শুধুমাত্র জনগণের মনোভাব প্রতিফলিত হয়নি, মানুষ যখন বুঝেছে ভোট ভাগাভাগির কারণে বিজেপি-র অ্যাডভান্টেজ, তখন স্বাভাবিকভাবে মানুষ আর কোনরকম ঝুঁকি নেয়নি। সুতরাং, ২০২৩ এর চিত্রের প্রতিফলন ঘটেছে এবারকার নির্বাচনে।
ধর্মনগরে যথেষ্ট বিরোধি থাকার সত্বেও ব্যর্থ হয়েছে কংগ্রেস। তিনি আরো বলেন, বিজেপি গত আট বছর ধরে রাজ্যে ভয় ভীতি দেখিয়ে এবং অর্থের বিনিময়ে প্রভাব তৈরি করে রেখেছে রাজ্যে। এর ব্যতিক্রম ঘটেনি ধর্মনগর উপনির্বাচনের ফলাফলে। ধর্মনগর আসনে ২০১৮ সালে প্রায় ৮০০ মতো ভোট পেয়েছিল কংগ্রেস। এবারের নির্বাচনে প্রায় ছয় হাজারের মতো ভোট পেয়েছে কংগ্রেস। সাংগঠনিকভাবে ২০১৮ সাল থেকে ভোট কংগ্রেসের বেড়েছে এবারকার নির্বাচনে। এটা দলের শক্তি বৃদ্ধির সংকেত।
এর থেকে সবকটি রাজনৈতিক দলকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। কারণ যারা বলেছিলেন কংগ্রেসের পুলিং এজেন্ট নেই, তারা এই উপনির্বাচনে দেখেছে প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রে পুলিং এজেন্ট দিয়েছে কংগ্রেস। অন্যান্য রাজ্যের ভোটের ফলাফল নিয়ে তিনি বলেন কেরলে কংগ্রেসের সরকার হচ্ছে। কিন্তু আসামে এবং পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়তে না পারার পেছনে মূলত কারণ হলো বিভাজনে রাজনীতি। এই রাজনীতি ভোটারদের প্রভাবিত করেছে। নানা রকম ভাবে গণনার দিন অশান্তি তৈরি করেছে পশ্চিমবঙ্গে। এর দ্বারা প্রমাণ করে কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে নির্বাচন নিজেদের অনুকূলে নিয়ে আনসে প্রয়াস করেছে। সাধারণ মানুষকে বেশি ভাবতে হবে। বিজেপি যে সমীক্ষা তৈরি করে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এগোচ্ছে তাতে প্রগতি, উন্নতি থেকে ভারত বর্ষ পিছিয়ে যাচ্ছে। দেশের জনগণকে এর জন্য ভুগতে হবে এবং সম্মুখীন হতে হবে।

