স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১০ এপ্রিল: পাহাড়ের নির্বাচন ক্রমশ আতঙ্ক তৈরি করেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। নির্বাচনের অন্তিম লগ্নেও পাহাড়ে সন্ত্রাস যেন ক্রমশ মাথা চাড়া দিয়ে রেখেছে। পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতা বারবারই নজরে আসছে সরকারের। বিজেপি-র রোড শো -র আগের পর্যন্ত এক রাজনৈতিক দলের কর্মী সমর্থকরা জেলা পুলিশ সুপারের সামনে দিয়ে গো ব্যাক স্লোগান চলছে। পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছে, মন্ত্রীকে পর্যন্ত পিজির সহযোগিতা নিয়ে লুকিয়ে প্রাণ রক্ষা করতে হচ্ছে। গত কয়েকদিনে এ ধরনের একাধিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছে রাজ্যবাসী।
এরই মধ্যে টিটিএএডিসি নির্বাচনের দিন জনগণের জন্য নিরাপত্তার বিশেষ দায়িত্ব নিলেন রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশক অনুরাগ ধ্যানকর। শুক্রবার পুলিশের সদর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার দিয়ে তিনি বলেন, এডিসি এলাকার সকলে যেন নিশ্চিন্তে ভোট দিতে যান ১২ এপ্রিল। এদিন সমস্ত পুলিং স্টেশনে সিভিল পুলিশ এবং টি এস আর মোতায়েন থাকবে। এছাড়া মোবাইল পেট্রোলিং থাকবে। পাশাপাশি সমস্ত থানার মধ্যে পুলিশ এবং টি এস আর কর্মী রিজার্ভ করে রাখা হবে। কোন ধরনের ঘটনার আশঙ্কা দেখা গেলে সেখানে রিজার্ভ পুলিশ এবং টিএসআর মোতায়েন করা হবে। তিনি জানিয়েছেন ১২৫৭ টি পুলিং স্টেশনের মধ্যে এরমধ্যে ৩১১ টি পুলিং স্টেশন অত্যন্ত স্পর্শকাতর।
এই ৩১১ টি এ ক্যাটাগরি করে নিয়ে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। বি ক্যাটাগরিতে রয়েছে ৪৯৩ টি। সাধারণ ক্যাটাগরি অর্থাৎ সি ক্যাটাগরিতে রয়েছে ২৫৩ টি। তিনি আরো জানিয়েছেন, এদিন সকলের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হবে। ভোটারদের নিরাপত্তার স্বার্থে ২৪ কোম্পানি সিএপিএফ ২৮ টি আসনে মোতায়েন করা হবে। ভোটকেন্দ্রের বাইরের পরিস্থিতি তারা নজরে রাখবেন। যাতে ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিতে যেতে পারে। সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে বারো হাজার সিভিল পুলিশ এবং টিএসআর নিয়োজিত থাকবে নির্বাচনে। এছাড়াও ২৪ কোম্পানি সেন্ট্রাল আর্ম পুলিশ ফোর্স নিয়োজিত থাকবে। যার মধ্যে ১২ কোম্পানি বি.এস.এফ, ১০ কোম্পানি এস.এস.বি এবং দুই কোম্পানি সি.আর.পি.এফ থাকবে। তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন সকলে জানতে ভয় মুক্ত ভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে যায়। ভোট দিতে যেতে কেউ যদি কোন রকম সমস্যার মুখোমুখি হয় তাহলে পুলিশের হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করার জন্য বলা হয়েছে।

