স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৬ মার্চ : বিজেপির প্রদেশ কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয় বৃহস্পতিবার। এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য এবং রাজ্যের মন্ত্রী টিংকু রায়। সাংবাদিক সম্মেলনে অভিমত ব্যক্ত করতে গিয়ে প্রদের সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চলতি বছরের ২২ মার্চ পর্যন্ত ৮৯৩১দিন কাজ করেছেন। যা সেবামূলক শাসনের এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ। প্রথমে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী তারপর প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন নরেন্দ্র মোদি ।
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আরও বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি জোট রাজনীতি যুগের অবসান ঘটিয়েছে। জওহরলাল নেহেরুর পর প্রধানমন্ত্রী হিসাবে টানা তিনটি কার্যকালের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। সমগ্রজীবন দেশ ও দেশের জনগণের সেবায় উৎসর্গ করে গেছেন। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী এ পর্যন্ত এই যাত্রা সেবা সততা এবং দেশকে সর্বাগ্রে এগিয়ে রাখার এক যাত্রা। কেন্দ্রীয় সরকারের জনকল্যাণমুখী বিষয়গুলো উল্লেখ করেন সাংসদ তথা বিজেপির প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকারের শাসন কালে ত্রিপুরার প্রাপ্তি নিয়েও আলোকপাত করেন তিনি। একইসঙ্গে প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য এডিসি নির্বাচন এবং চলমান পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন। তার পাশাপাশি এডিসি নির্বাচন নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করলেন প্রদেশ সভাপতি। প্রদেশ সভাপতি রাজিব ভট্টাচার্য বলেন দীর্ঘ ২৫ বছর বামফ্রন্টের শাসনে জনো জাতিরা শিক্ষার আলো থেকে চরম ভাবে বঞ্চিত। যার কারনে জনজাতিদের মধ্য থেকে চিকিৎসক, অধ্যাপক কিংবা রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিক হিসেবে এমন ভাবে কেউ বেরিয়ে আসতে পারেনি।
বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক দলগুলো কেউ থানসা থানসা বলছে, কেউ বলছে গ্রেটার তিপড়া ল্যান্ড, কেউ বলছে পৃথক তিপড়া ল্যান্ড আবার কেউ কেউ বলছে স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্য। কিন্তু ভারতীয় জনতা পার্টি এসব ডায়ালগে বিশ্বাস করে না। জনজাতিদের উন্নয়নের মধ্য দিয়েই ত্রিপুরা রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন চায় বিজেপি। এদিনকার এই সম্মেলনে একটা সময়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে খানিকটা হিমশিম খেতে দেখা যায় প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্যকে। যদিও তিনি হাসিমুখেই মানিয়ে নেন সে সব প্রশ্ন।

