স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৬ মার্চ : গ্রামবাসী চেষ্টায় প্রাণে বাঁচলেন গৃহবধূ। ঘটনা চড়িলাম রাজীব কলোনি এলাকায়। ঘটনার বিবরণী জানা যায়, বুধবার রাতে স্বামী সাইফুল মিয়া সরকার নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে থেকে গামছা দিয়ে তার স্ত্রী পায়েল আক্তারকে ঝুলিয়ে প্রানে মারার চেষ্টা করে। তখন পায়েল আক্তার চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের মানুষজন ছুটে গিয়ে পায়েলকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
তারপর বৃহস্পতিবার বিশালগড় মহিলা থানায় একাধিকবার বিষয়টি অবগত করার জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ফোন করা হলে ফোন রিসিভ করেননি থানার পুলিশ কর্মীরা। গৃহবধূ পায়েলের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত স্বামী ড্রাগসের নেশায় বাড়ি ফিরে তাকে মারধর করে। তার বিয়ের সমস্ত স্বর্ণালংকার বিক্রি করে দিয়েছে। বিভিন্ন সময় পায়েলের উত্তেজিত স্বামী তার দুই তিন বছরের জমজ সন্তানকে পর্যন্ত মারধর করে।
ফলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পায়েল। পায়েল আরো জানায় তার চিৎকার শুনে যদি আশেপাশের লোকজন ছুটে না আসত তাহলে তাকে খুন করে ফেলত তার স্বামী। বিয়ের পর পাঁচ বছর ধরে এ ধরনের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে পায়েল। বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সরকারি দৃষ্টি আকর্ষণ করে ন্যায্য বিচার চাইলেন এই তরুণী গৃহবধূ। এদিকে এলাকাবাসীও মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি দাবি করল। তার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ গ্রামবাসী। তবে এলাকাবাসী মনে করে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো বিশালগড় থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। ফোন করলে ফোন রিসিভ করেন না তারা। মানুষ বিপদে পড়েই পুলিশকে ফোন করে। কিন্তু রক্ষকের ভূমিকা যদি এমন হয় তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান