স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক নভেম্বর ৪ : রাহুল গান্ধীর নির্দেশ ছিল, প্রত্যেককে হাজিরা দিতে হবে রামলীলা ময়দানে। ‘না’ বলা যাবে না। এমন কড়া নির্দেশিকা সত্ত্বেও দিল্লির কর্মসূচিতে গরহাজির কংগ্রেসের একঝাঁক নেতাকর্মী। তার জেরে এবার কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে হাত শিবির। সূত্রের খবর, দেশজুড়ে যুব কংগ্রেসের অন্তত ৫০০ নেতাকে শাস্তি দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই শাস্তির কোপে পড়েছেন অন্তত ৮০ জন।
জানা গিয়েছে, যুব কংগ্রেসের কর্মীদের হাজিরার হিসাব রাখার জন্য বারকোডের ব্যবস্থা করা হয়েছিল রামলীলা ময়দানে। ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের অ্যাপে প্রত্যেক পদাধিকারী এবং তাঁদের সঙ্গী দলীয় কর্মীদের হাজিরা নথিভুক্ত করা হয়। রবিবার সভা শেষে যুব কংগ্রেস জানিয়েছে, অন্তত পনেরো হাজার কর্মী এসেছিলেন মিছিলে। কিন্তু অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করেছেন মাত্র ২৮৩১ জন। তারপর থেকেই দলের অন্দরে প্রশ্ন, উপস্থিতির সংখ্যায় এতখানি হেরফের হয় কী করে? যুব কর্মীদের একাংশ জানান, ওই এলাকায় ইন্টারনেটের গতি কম থাকার কারণে অনেকেই রেজিস্টার করাতে পারেননি।
কিন্তু নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও দেশজুড়ে যুব কংগ্রেসের বহু পদাধিকারী রামলীলা ময়দানে যাননি। তাঁদের বিরুদ্ধে এবার খড়গহস্ত হবে দল, জানিয়ে দিয়েছেন দলের প্রেসিডেন্ট উদয়ভানু চিব। সূত্রের খবর, কোন রাজ্য থেকে কতজন পদাধিকারী গরহাজির ছিলেন তার তালিকা তৈরি হচ্ছে। যারা উপযুক্ত কারণ দর্শাতে পারছেন না, তাঁদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রদেশের ৬০ জন, হিমাচল প্রদেশের ১৩জন এবং হরিয়ানার ১০ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, এই সাসপেনশনের সংখ্যাটা পাঁচশোয় পৌঁছতে পারে। বাংলার বেশ কয়েকজন যুবনেতার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর। রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী শিবিরের ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল ইন্ডিয়া জোট। সেখানে ইন্ডিয়া জোটের একাধিক নেতা হাজির ছিলেন। সভায় লক্ষাধিক মানুষের জমায়েত হয়েছিল বলে দাবি কংগ্রেসের। যদিও সেই দাবি মানতে নারাজ বিজেপি। তাদের দাবি, এআই দিয়ে ভিড়ের ছবি বানাচ্ছে হাত শিবির।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান