নয়াদিল্লি, ২৭ অক্টোবর (হি.স.): ভারতীয় নৌবাহিনীর বাৎসরিক ফ্ল্যাগশিপ সেমিনার ও প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী ‘স্বাবলম্বন ২০২৬’-এর পঞ্চম সংস্করণে উপস্থিত হলেন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল কৃষ্ণা স্বামীনাথন। নতুন দিল্লির মানেকশ সেন্টারে ২৬ ও ২৭ অক্টোবর দু'দিনব্যাপী এই মর্যাদাপূর্ণ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এবারের প্রদর্শনীর মূল ভাবনা রাখা হয়েছে— উদ্ভাবন ও দেশীয়করণের মাধ্যমে শক্তি ও সামর্থ্য।
মঙ্গলবার প্রদর্শনীতে বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল কৃষ্ণা স্বামীনাথন বলেন, "স্বাবলম্বন হলো ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রধান বাৎসরিক অনুষ্ঠান ও সেমিনার, যা ক্ষুদ্র-ছোট-মাঝারি শিল্প, সার্বিক শিল্পমহল, স্টার্টআপ, উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী এবং প্রতিরক্ষা বাস্তুতন্ত্রের সমস্ত উপাদানকে এক ছাদের তলায় নিয়ে আসে। এর মূল উদ্দেশ্য নৌবাহিনীর সামরিক ও পরিচালনগত প্রয়োজনীয়তাগুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা এবং উদীয়মান প্রযুক্তির সম্ভাবনাময় ভাবনাগুলিকে বাস্তব যুদ্ধক্ষমতায় রূপান্তর করা—যাতে নৌবাহিনী একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সেগুলি মোতায়েন করতে পারে।"
প্রতিরক্ষা শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে যৌথ সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও জানান, "ভারতীয় নৌবাহিনী সামগ্রিক শিল্পমহল, স্টার্টআপ, এমএসএমই এবং শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বে কাজ করতে সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ। এর ফলে আমরা আধুনিক বিশেষায়িত প্রযুক্তিগুলি যত দ্রুত সম্ভব নিজেদের কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে পারব এবং প্রতিদিনের পদক্ষেপে ভারতীয় নৌবাহিনীকে আরও উন্নত ও দক্ষ যুদ্ধবাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে পারব। এটি আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মঞ্চ। স্বাবলম্বনের এই পঞ্চম সংস্করণে যে বিপুল আগ্রহ ও উদ্দীপনা দেখা গিয়েছে, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। এই প্রদর্শনীতে থাকা ১০০টি স্টলের সবকটিই বিভিন্ন দেশীয় সংস্থা ও গবেষকদের উদ্ভাবনী প্রদর্শনে পূর্ণ রয়েছে।"
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতকে আত্মনির্ভর করে তোলা এবং আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগে নৌসেনার সক্ষমতা বাড়াতে এই উদ্যোগকে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট মহল।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান