Thursday, October 8, 2026
বাড়ি জাতীয় ফের উত্তপ্ত দিল্লি, জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে যন্তর মন্তরে রাহুলরা, রাস্তায় শুয়ে বিক্ষোভ প্রিয়াঙ্কার

ফের উত্তপ্ত দিল্লি, জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে যন্তর মন্তরে রাহুলরা, রাস্তায় শুয়ে বিক্ষোভ প্রিয়াঙ্কার

ফের উত্তপ্ত দিল্লি, জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে যন্তর মন্তরে রাহুলরা, রাস্তায় শুয়ে বিক্ষোভ প্রিয়াঙ্কার

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক ৭ অক্টোবর :  মঙ্গলবারই দিনভর আকাশবাণী ভবনের সামনে ধরনা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী সাংসদরা। বুধবার থেকে ফের অনির্দিষ্টকালের ধরনার পরিকল্পনা ইন্ডি জোটের। এবার গন্তব্য যন্তর মন্তর। তবে যন্তরমন্তরে পৌঁছানোর আগেই বিরোধী সাংসদদের বাধা দেয় দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।


যতদিন জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা না দেবেন, ততদিন আন্দোলন চলবে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ইন্ডি জোটের বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইমতো নিত্যদিন নতুন নতুন কর্মসূচি পালন করছেন ইন্ডি জোটের সাংসদরা। মঙ্গলবারও নির্বাচন কমিশন অভিযান করে ইন্ডি জোট। লোকসভার বিরোধী রাহুল গান্ধীর সঙ্গে এদিন মিছিলে পা মেলান সম্মিলিত বিরোধী জোটের সাংসদরা। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন অখিলেশ যাদব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপ্রিয়া সুলে-সহ জোটের শীর্ষ নেতারা। কিন্তু নির্বাচন সদনে পৌঁছনোর অনেক আগেই ইন্ডি সাংসদদের আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। বাধা পেয়ে কমিশনের উলটো দিকে আকাশবাণী ভবনের সামনে ধরনায় বসেন বিরোধী সাংসদরা। দিনভর ধরনার পর সন্ধে নাগাদ জোরপূর্বক সেই ধরনা তুলে দেয় দিল্লি পুলিশ। আটক করা হয় রাহুল গান্ধী-প্রিয়াঙ্কা গান্ধীদের। ঘণ্টা দুই বাদে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।


তাৎপর্যপূর্ণভাবে মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে ইন্ডি জোটের বাইরে থাকা বিজু জনতা দলও যোগ দিয়েছিল। বুধবার দুপুরে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বিরোধী সাংসদদের মধ্যাহ্নভোজনে ডাকেন। এবার দিল্লির এক নামী রেস্তরাঁয় জড়ো হন ইন্ডি জোটের বহু সাংসদ। তাৎপর্যপূর্ণ তাতে যোগ দেন আপের প্রতিনিধিরাও। ওই মধ্যহ্নভোজনের পরই রাহুল গান্ধী ঘোষণা করে দেন, “জ্ঞানেশ কুমারকে আমরা সরিয়েই ছাড়ব। ওকে ইস্তফা দিতেই হবে।” রাহুলের ঘোষণার পরই আচমকা যন্তর মন্তরের দিকে এগোতে শুরু করেন ইন্ডি জোটের সাংসদরা। রাহুল গান্ধী যে তৎক্ষণাৎ কোনও কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারেন, সে আন্দাজ পুলিশের ছিল। কারণ ইতিপূর্বে তিনি আচমকা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনেও ধরনা দিয়েছেন। এবার পুলিশ আগেভাগে প্রস্তুত ছিল। কিন্তু তাতেও রোখা যায়নি সাংসদের। বাসে করে তাঁরা চলে যান যন্তর মন্তরে। যদিও সেখানেও কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সাংসদরা গাড়ি থেকে নামার পর পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় তাঁদের। রাস্তায় শুয়ে পড়েন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। আশেপাশে ঘিরে ফেলেন অন্য সাংসদরাও। পর একপ্রকার পাঁজাকোলা করে তাঁদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয় যন্তর মন্তর থেকে। 


সোশাল মিডিয়ায় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ঘোষণা করেছেন, ইন্ডি সাংসদরা যন্তরমন্তরে ধরনা দেবেন। যতদিন না জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা দিচ্ছেন, এই ধরনা চলবে। একই সারিতে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে বসিয়ে খাড়গের বক্তব্য, “জ্ঞানেশ যেটা করছেন সেটার নেপথ্যে নরেন্দ্র মোদির হাত রয়েছে। আজ সব দল এক জায়গায় এসে দেশের মানুষকে বলছে, কীভাবে তাঁদের ভোট চুরি হয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে যত খুশি মামলা করার করুন, গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই চলবেই।”


Subrata Debnath
Subrata Debnath https://syandanpatrika.in
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha