স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক ৭ অক্টোবর : বিনা অনুমতিতে আকাশবাণী ভবনে ধরনা, গাঁ-জোয়ারি রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক কংগ্রেস সাংসদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল দিল্লি পুলিশ। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশের মামলা দায়ের হয়েছে। কংগ্রেস অবশ্য ওই এফআইআরকে পাত্তা দিতে নারাজ। হাত শিবির বলছে, মানুষ ভোটচুরি নিয়ে চিন্তিত আর ওই পৈশাচিক দু’জন (নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ) মামলা করতে ব্যস্ত।
আসলে মঙ্গলবার রাহুল গান্ধী এবং দিল্লি পুলিশের মধ্যে দিনভর টানাপোড়েন চলেছে। জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন অভিযান করে ইন্ডি জোট। লোকসভার বিরোধী রাহুল গান্ধীর সঙ্গে এদিন মিছিলে পা মেলান সম্মিলিত বিরোধী জোটের সাংসদরা। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন অখিলেশ যাদব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপ্রিয়া সুলে-সহ জোটের শীর্ষ নেতারা। কিন্তু নির্বাচন সদনে পৌঁছনোর অনেক আগেই ইন্ডি সাংসদদের আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। বাধা পেয়ে কমিশনের উলটো দিকে আকাশবাণী ভবনের সামনে ধরনায় বসেন বিরোধী সাংসদরা।
সেখান থেকেও রাহুলদের উঠে যেতে অনুরোধ করে দিল্লি পুলিশ। কিন্তু রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ অন্য কংগ্রেস নেতারা সেই নির্দেশ মানেননি। উলটে দীপেন্দর হুডা, কেসি বেণুগোপালরা আকাশবাণী ভবন চত্বরে জোরালো স্লোগান দেওয়া শুরু করেন। দিনভর ধরনার পর সন্ধে নাগাদ জোরপূর্বক সেই ধরনা তুলে দেয় দিল্লি পুলিশ। আটক করা হয় রাহুল গান্ধী-প্রিয়াঙ্কা গান্ধীদের। ঘণ্টা দুই বাদে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
বুধবার সকালেই রাহুল-প্রিয়াঙ্কা-সহ অন্য সাংসদদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ অনুমতি ছাড়া ধরনা, অনধিকার প্রবেশের মতো মামলা রুজু করেছে। এই এফআইআরের খবর প্রকাশ্যে আসার পর কংগ্রেস বলছে, বিজেপি নার্ভাস। জয়রাম রমেশ বলছেন, “ওই পৈশাচিক জুটি ভয় পেয়েছে, ওরা ভয় পেয়েছে, মরিয়া। কিন্তু দেওয়াল লিখন পরিষ্কার।”
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান