Monday, March 2, 2026
বাড়িজাতীয়খামেনেইর পা পড়েছিল কর্নাটকের ‘মিনি ইরানে’, শোকে বিহ্বল সেই গ্রামে তিনদিনের বন্‌ধের...

খামেনেইর পা পড়েছিল কর্নাটকের ‘মিনি ইরানে’, শোকে বিহ্বল সেই গ্রামে তিনদিনের বন্‌ধের ডাক

স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক ২ মার্চ : আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলার মৃত্যু হয়েছে ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। ইতিমধ্যেই ইরানজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। খামেনেইকে হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল বিশ্বের একাধিক দেশ। বিক্ষোভ শুরু হয়েছে ভারতের বিভিন্ন স্থানেও। ইরানের সুপ্রিম লিডারের মৃত্যুতে শোকে বিহ্বল কর্নাটকের ‘মিনি ইরান’। সেখানে তিনি দিনের ঐচ্ছিক বা ‘ভলেন্টারি’ বন্‌ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।

কর্নাটকের চিক্কাবল্লাপুর জেলার এই আলিপুর গ্রাম ‘মিনি ইরান’ বলে পরিচিত। শিয়া মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামটির সঙ্গে ইরানের গভীর সাংস্কৃতিক যোগ রয়েছে। ১৯৮১ সালে ভারত সফরের সময় এই গ্রামেই পা রেখেছিলেন খামেনেই। স্থানীয় বাসিন্দা এবং গ্রামের পণ্ডিতদের সঙ্গে আলাপচারিতাও করেছিলেন তিনি।

দক্ষিণ ভারতের শিয়া সম্প্রদায় মুসলিমদের কাছে আলিপুর গ্রামের গুরুত্ব নতুন মাত্রা পায় খামেনেইয়ের সেই ঐতিহাসিক সফরের পর। তাঁর সফর আলিপুর গ্রামকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করে। সেখানকার বহু পরিবারের কাছে খামেনেই শুধু একজন বিদেশি রাষ্ট্রনায়কই ছিলেন না, বরং ছিলেন পরামর্শদাতা এবং পথপ্রদর্শক। ইরানের সুপ্রিম লিডারকে সম্মান জানাতেই তিনদিনের শোক ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। তিন দিনের ‘ভলেন্টারি’ বন্‌ধ তারই অংশ। স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই গ্রামের বাড়ি এবং মসজিদগুলিতে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। গোটা গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, “তিনি কেবল শিয়া সম্প্রদায়ের নেতা ছিলেন না। তিনি সমস্ত সম্প্রদায়ের জন্যই বার্তা দিতেন। আমেরিকা এবং ইজরায়েল হামলাকে বহু দেশ সমর্থন করেছে। এটি বিশ্বের জন্য ক্ষতি।”

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য