স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক ৫ অক্টোবর : বিরোধী দ্বন্দ্বে সুবিধা পায় শাসক দল। অতীতে ‘এনডিএ’ বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের মধ্যে হাজার ফাটল দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি একাধিক শাসক-বিরোধী ইস্যুতে দিল্লি-সহ গোটা দেশ আন্দোলন, বিক্ষোভের সাক্ষী হচ্ছে। মূলত ককরোচ জনতা পার্টি, কংগ্রেস ও বামেরা মাঠে নেমে আন্দোলন করছে। এই অবস্থায় শাসক দল বিজেপি তথা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন প্রতিবাদকে একটি অভিন্ন মঞ্চে আনতে আগ্রহী কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এই বিষয়ে উদ্যোগীও হয়েছেন তিনি। যদিও দলটির নিচের তলার বেশ কিছু নেতাদের সঙ্গে সিজেপি-র কদর্য বিবাদ সামনে আসছে। অসমে স্কুল পরিদর্শনের সময় থেকেই বিরোধ দানা বাঁধে। চলতি সপ্তাহে তা তীব্র আকার ধারণ করেছে।
৩ অক্টোবর ডিজিটাল “সত্যাগ্রহ” কর্মসূচি শুরু করেন রাহুল গান্ধী। সেই সময় তিনি জানান, বিচ্ছিন্ন আন্দোলনগুলকে একত্রিত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সংসদে, রাস্তায়… যেখানে আমার প্রয়োজন হবে, সেখানেই পাশে থাকব। প্রায় একই সময়ে সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস ইঙ্গিতবাহীভাবে একটি ‘স্বঘোষিত উদারপন্থী ইকোসিস্টেম’-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। তাঁদের মতে, এই ‘গোষ্ঠী’ সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে হেয় করার চেষ্টা করছে। এমন আচরণ করছে যেন তারাই গণতন্ত্র রক্ষক এবং সংবিধানের “ঠিকাদার”।
আশুতোষ বা সৌরভ কেউই অবশ্য সরাসরি কংগ্রেসের নাম উল্লেখ করেননি। তবে বিজেপির বাইরে ‘অন্য একটি দল’…এই ভাষায় মন্তব্য করেন সৌরভ। এরপর কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁর এই মন্তব্যকে নিজেদের দলের বিরুদ্ধে সমালোচনা হিসেবে দেখছেন। বিজেপি সরকার এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে কার কতটা প্রাধান্য, কৃতিত্ব ও নেতৃত্ব থাকবে তা নিয়ে সিজেপি ও কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য ও টানাপড়েন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। অথচ, উভয়পক্ষ মূলত একই বিষয়ে আন্দোলন করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য, আন্দোলন সফল করতে হলে অবিলম্বে কংগ্রেস-সিজেপি দ্বন্দ্ব মিটিয়ে নেওয়া উচিত।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান