স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
২৭ আগস্ট :ত্রয়োদশ ত্রিপুরা
বিধানসভার দশম অধিবেশনে সিপিআইএমকে দেশদ্রোহী বলে কটাক্ষ করলেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন
লাল নাথ। তিনি কিউবার রাষ্ট্রদূত নিয়ে কথার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সম্প্রতি রাজ্যে কিউবা
রাষ্ট্রদূত এসেছিলেন। তিনি সফরে এসে সবুজ ত্রিপুরা এবং ভারতের প্রশংসা করেছেন। এতটুকু
পর্যন্ত সবকিছুই ঠিক ছিল। কিউবার রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনের
আয়োজিত এক দলীয় সভায় গিয়ে ত্রিপুরার বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী ভারতকে সাম্রাজ্যবাদী
শক্তি হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছেন।
এবং তিনি রাষ্ট্র
বাদকে পর্যন্ত কটাক্ষ করার চেষ্টা করেছেন। প্রশ্ন হলো রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে শুধুমাত্র
কিউবার পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। ভারতের জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো
হয়নি এবং ভারতের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়নি। দেশি অতিথের সামনে নিজের দেশকে এভাবে
ছোট করে দেখিয়েছে কমিউনিস্টরা। তাই বিধানসভা অধিবেশনে রাষ্ট্রবাদীরা থাকবে নাকি দেশদ্রোহীরা
থাকবে? কমিউনিস্টরা চোর, বিদেশি এজেন্ট, পাকিস্তানের এজেন্ট বলে সুর চড়ালেন রতন লাল
নাথ। তিনি বলেন, কমিউনিস্টরা দেশকে টুকরো টুকরো করতে চায়।
পাশাপাশি নিজেকে
চীনের দালাল এবং পাকিস্তানের এজেন্ট নয় বলে দাবি করে পেছনের আসনে বিধায়ক অভিষেক দেবরায়কে
জাতীয় পতাকা দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রেজারি ব্র্যাঞ্চের বিধায়করা দাঁড়িয়ে জাতীয়
পতাকা তুলে ধরেন। কিন্তু সেই সময় বিধায়ক অভিষেক দেবরায় এবং মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা
জাতীয় পতাকা উল্টো ধরে বিধানসভায় জাতীয় পতাকার অবমাননা করেছেন। যা নিয়ে হাসির খোরাক
বিরোধী ব্যাঞ্চে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান