Monday, September 21, 2026
বাড়ি রাজ্য প্রাক্তন ব্যাংক ম্যানেজারের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ১২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

প্রাক্তন ব্যাংক ম্যানেজারের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ১২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

প্রাক্তন ব্যাংক ম্যানেজারের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ১২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২১ সেপ্টেম্বর :ইউকো ব্যাংকের বিরুদ্ধে গ্রাহকের সঞ্চয় অনুমতি ছাড়া তুলে নেওয়ার অভিযোগ। প্রায় ১১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫৬৯ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, কৈলাসহরের দুর্গাপুরের বাসিন্দা সরকারি কর্মচারী দিলীপ কুমার দাস বিষয়টি নিয়ে ইউকো ব্যাংকের গুয়াহাটি জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার ফিল্ড ইন্সপেক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।

 তাঁর অভিযোগ, ২০২১ সালে ধর্মনগরের চন্দ্রপুর শাখা থেকে ১০ লক্ষ টাকার গৃহ ঋণের জন্য আবেদন করার সময় তৎকালীন শাখা ব্যবস্থাপক সুরজিৎ মল্লিক তাঁকে কয়েকটি টাকা উত্তোলনের রসিদে স্বাক্ষর করতে বলেছিলেন। ব্যাংকের উপর আস্থা রেখেই তিনি সেগুলিতে স্বাক্ষর করেন বলে দাবি দিলীপবাবুর। পরবর্তীতে তাঁর অজ্ঞাতে ওই স্বাক্ষর করা রসিদ ব্যবহার করে তাঁর সঞ্চয়ী হিসাব থেকে বিভিন্ন সময়ে টাকা তোলা হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি ব্যাংক স্টেটমেন্ট পরীক্ষা করার সময় বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। মোট ২৫ বার লেনদেনের মধ্যে সাতটির রসিদ এখনও তাঁকে দেওয়া হয়নি। কয়েকটি রসিদে তাঁর স্বাক্ষর জাল করে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। একটি রসিদেদিলীপ পাল নাম লেখা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বা তৎকালীন সময়ের গুনধর ম্যানেজার সুরজিৎ মল্লিকের হাত দিয়ে তা পাশ করিয়ে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। স্বাক্ষর জালিয়াতি করে করে ৪৫ হাজার টাকা

তোলার অনুমতি কিভাবে দিলেন সেই ম্যানেজার, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী। এর পাশাপাশি, তাঁর নামে লক্ষ ৪২ হাজার টাকার একটি ঋণ ১৮ মার্চ ২০২২ অনুমোদন পরে উত্তোলন করা হয়েছে বলেও তিনি জানতে পারেন বলে অভিযোগ করেছেন। দিলীপ কুমার দাসের অভিযোগ, ব্যাংকের এক কর্মী তাঁকে জানিয়েছেন যে তৎকালীন শাখা ব্যবস্থাপক ব্যাংক ছাড়ার সময় কয়েকটি উত্তোলন রসিদ সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে এই দাবির পূর্ণাঙ্গ সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া প্রয়োজন। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, তাঁর অ্যাকাউন্টের সমস্ত লেনদেন, উত্তোলন রসিদ ঋণ সংক্রান্ত নথির নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। তাঁর বক্তব্য, অনুমতি ছাড়া টাকা উত্তোলনের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে টাকা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha