স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
২৭ আগস্ট : সংবাদ মাধ্যমের
ক্যামেরার সামনে উন্নয়নের কথা বলে মাথার ঘাম পায়ে ফেলছে তথাকথিত জনজাতি দরদী তিপরা
মথা। ২০২১ সাল থেকে এডিসিতে প্রশাসন পরিচালনা করলেও উন্নয়নের ছিটেফোঁটাও পৌছাতে পারল
না রাজ্যের পাহাড়ে। এখনো কাঁধে করে নিয়ে যেতে হয় রোগী। ৪ কিলোমিটার পর পায়ে হেঁটে
যেতে হয় গর্ভবতীকে। এতটা অসহনীয় অবস্থায় দিন যাপন করছে রাজ্যের জনজাতি। আর ভোট আসলে
শুধুমাত্র চুক্তি নামে দিল্লি ছোটাছুটি। তাদের হাতে রাজ্য, তাদের হাতে পাহাড়।
উন্নয়নের টাকায় পকেট ভারি হচ্ছে নেতাদের। এটাই
জলের মতো পরিষ্কার রাজ্যের পাহাড়ের ছবিতে।রাস্তার বেহাল দশা কোয়াইফাং এডিসি ভিলেজের
অন্তর্গত প্রত্যন্ত দেবকুমার পাড়ায়। উন্নয়নের বিভিন্ন ছবি ও দাবি সামাজিক মাধ্যমে
প্রতিনিয়ত তুলে ধরা হলেও এই গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, তারা মৌলিক পরিষেবা থেকে
বঞ্চিত। কোয়াইফাং বাজার থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দেবকুমার পাড়া। এর
মধ্যে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার পথ আজও পায়ে হেঁটে যাতায়াত করতে হয় গ্রামবাসীদের।
অভিযোগ, গ্রামে নেই পাকা রাস্তা, নেই পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা। পাশাপাশি নেই
অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, স্কুল কিংবা কোনও স্বাস্থ্যকেন্দ্র।
সম্প্রতি এই এলাকার এক গর্ভবতী মহিলাকে চিকিৎসার
জন্য অস্থায়ীভাবে তৈরি খাটিয়ায় করে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে নিয়ে যেতে হয়েছে। স্থানীয়দের
দাবি, প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছানোর জন্য এমন দুর্ভোগ পোহাতে
হয়েছে ওই মহিলাকে। ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের
ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গ্রামের এক যুবক ক্ষোভ
প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ ন্যূনতম পরিষেবার দাবি জানিয়ে আসছেন।
কিন্তু এখনও পর্যন্ত রাস্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান
হয়নি বলে অভিযোগ। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, উন্নয়নের এত দাবিও প্রচারের মাঝেও যদি একটি
প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষকে আজও চিকিৎসার জন্য গর্ভবতী মহিলাকে খাটিয়ায় করে কয়েক
কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়, তাহলে সেই উন্নয়ন পৌঁছাল কোথায়? দেবকুমার পাড়ার বাসিন্দারা
অবিলম্বে রাস্তা নির্মাণ, পানীয় জলের ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং শিক্ষা ও অঙ্গনওয়াড়ি
কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে বিলোনিয়া মহকুমা ৩৭ ঋষ্যমুখ বিধানসভা কেন্দ্রের
করোইল্লা বাড়ি এডিসি ভিলেজের রাস্তার বেহাল দশা। করোইল্লা বাড়ির গ্রামের দুই থেকে
তিন কিলোমিটার পর্যন্ত রাস্তা বেহাল দশায় কারণে গ্রামে যানবাহন প্রবেশ করতে পারে না।
কৃষ্ণ দাস ত্রিপুরা কয়েক দিন ধরে ঘরে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, বৃহস্পতিবার কৃষ্ণ দাস
ত্রিপুরাকে চিকিৎসা করার জন্য হসপিটালে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তাঘাট বেহাল দশায় কারণে
ভাড়িতে করে নিয়ে যেতে হয়।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান