স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
১১ আগস্ট:দিল্লির যন্তর
মন্তরের বিক্ষোভের রেশ কাটতে না-কাটতেই ফের ছাত্র বিক্ষোভ। এবার ঝাড়খণ্ডে। সে রাজ্যের
পিএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তা নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভ
চালিয়ে যাচ্ছেন ঝাড়খণ্ডের শয়ে শয়ে পড়ুয়া। কিন্তু পড়ুয়াদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ
হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে রাজনৈতিক মাইলেজ নিতে এবার সরাসরি ময়দানে নেমে আসলো ত্রিপুরার
শাসক দল বিজেপি। মঙ্গলবার প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে মন্ত্রী সুশান্ত
চৌধুরী বলেন, দেশে অরাজকতার পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে কংগ্রেস।
দিল্লিতে জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার পর ভারতীয়
জনতা পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকার অত্যন্ত সুশৃংখলভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে। বিশেষ
করে সততার সঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। কিন্তু
লক্ষ্য করা গেছে ছাত্র আন্দোলনের নাম করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে দিল্লির যন্তর মন্তরে
ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন রাহুল গান্ধী। তিনি লোকসভা স্তব্ধ করে দেয়। কেন্দ্রীয়
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তথ্য দিয়ে সমস্ত প্রশ্নের জবাব দিতে আলোচনায় বসতে চেয়েছিলেন।
কিন্তু রাহুল গান্ধী আলোচনায় বসেন নি। কতটা নিচে নামলে এগুলি করতে পারে কংগ্রেস এবং
দলের নেতারা রাহুল গান্ধী সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মন্ত্রি সুশান্ত চৌধুরী।
তিনি আরো বলেন এখন ঝাড়খন্ডে যে আন্দোলন চলছে সেখানে
ছাত্রীদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ হয়েছে। কেন এই বিষয় নিয়ে রাহুল গান্ধী মুখ খুলছেন
না? ঝাড়খণ্ডে কংগ্রেস সমর্থিত সরকার বলে মুখ খুলছে না বলে দাবি করলেন মন্ত্রী সুসন্ত
চৌধুরী। একই সঙ্গে ত্রিপুরার বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীকে নিশানা করে মন্ত্রী
সুশান্ত চৌধুরী বলেন, দিল্লি যন্তর মন্তরে সমর্থনে আগরতলা সার্কিট হাউজ এলাকায় যখন
ছাত্র আন্দোলন চলছিল তখন সেখানে গিয়ে বিরোধী দলনেতা সমর্থন জিগিয়ে ছিলেন। এখন কেন
তিনি ঝাড়খন্ড যাচ্ছেন না। আসলে ছাত্রদের লেলিয়ে দিয়ে অরাজকতা তৈরি করে ক্ষমতায়
বসতে চাইছে কংগ্রেস এবং দলের নেতা রাহুল গান্ধী। কিন্তু দেশবাসী তাদের বর্জন করেছে
বলে দাবি করলেন মধ্যে সুশান্ত চৌধুরী। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এদিন এছাড়াও উপস্থিত
ছিলেন সংগঠনের নেতৃত্ব বিপিন দেববর্মা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান