স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৩ জুলাই : কাগজে-কলমে ঘরে ঘরে পানীয় জল পৌছে দিয়েছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার। ১০০ শতাংশ পৌঁছে দেওয়ার দাবি না করলেও ৯০ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়ে গেছে জল জীবন মিশনের অধীন হর ঘর জল প্রকল্প। কিন্তু বাস্তব চিত্র অন্য কথা বলছে প্রত্যন্ত এলাকা মুঙ্গিয়াকামী নোনাছড়ায়।খোয়াই জেলার মুঙ্গিয়াকামী ব্লকের প্রত্যন্ত নোনাছড়ায় পানীয় জলের সংকট।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পানীয় জলের অভাবে তারা প্রতিদিন ছড়ার অপরিশোধিত জল কিংবা পাহাড়ি পাথরের দিয়ে বেরিয়ে আসা জল পান করেই জীবনধারণ করতে বাধ্য হচ্ছেন বহু পরিবার। সরেজমিনে দেখা যায়, বিশুদ্ধ পানীয় জলের কোনো নির্ভরযোগ্য ব্যাবস্থা না থাকায় গ্রামবাসীরা হাতে পাত্র নিয়ে ছড়া ও প্রাকৃতিক জলস্রোত থেকে জল সংগ্রহ করছেন। বর্ষার সময় সেই জল আরও ঘোলা ও দূষিত হয়ে পড়লেও বিকল্প না থাকায় সেটিই পান করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে দাবি এলাকাবাসীর।
অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই অপরিশোধিত জল ব্যাবহারের জেরে ডায়রিয়া-সহ বিভিন্ন জলবাহিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। একাধিকবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও নিরাপদ পানীয় জলের স্থায়ী ব্যাবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। ফলে প্রশ্ন উঠছে—পাহাড়ি এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ পানীয় জল কি এখনও কেবল প্রতিশ্রুতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ? নোনাছড়াবাসীর একটাই দাবি—অবিলম্বে নিরাপদ পানীয় জলের স্থায়ী ব্যাবস্থা নিশ্চিত করা। এখন দেখার, প্রশাসন এই সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে কিনা, নাকি নোনাছড়ার মানুষকে আরও দূষিত জলই পান করে জীবন কাটাতে হবে।

