স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক ০৭ ফেব্রুয়ারি : ইরানের তেল কেনাবেচার শাস্তি হিসাবে আমেরিকার কোপে পড়ল ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের মোট ১৫টি সংস্থা। ১৪টি জাহাজের উপরেও নিষেধাজ্ঞান জারি করল ওয়াশিংটন।
গত কয়েক মাস ধরেই আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে টানাপড়েন চলছে। পশ্চিম এশিয়ার মার্কিন রণতরী মোতায়েনকে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। এই অবস্থায় শুক্রবার এই চাপানউতরে ইতি টানতেই ওমানে বৈঠকে বসেছিল ওয়াশিংটন এবং তেহরান। সেখানে দু’পক্ষের মধ্যে ভালো, ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলেই দাবি করেছিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। ঘটনাচক্রে ঠিক তার পরেই ইরানের তেল পরিবহরণ করার অভিযোগে বিভিন্ন জাহাজ এবং সংস্থার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল আমেরিকা।
মার্কিন বিদেশ দপ্তরের বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘‘তেহরান তেল বিক্রির অর্থকে দেশের উন্নতির কাজে লাগায় না। তা খরচ আঞ্চলিক স্থিতাবস্থা নষ্ট করতে এবং নাগরিকদের দমন করতে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। আমরা একাধিক জাহাজ, সংস্থা এবং ব্যক্তিবিশেষের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করছি। ইরানের পেট্রোলিয়াম, পেট্রোপণ্য এবং পেট্রোরাসায়নিক পণ্য পরিবহণকারী হিসাবে আমরা ১৪টি জাহাজকে চিহ্নিত করেছি। এ ছাড়া, ১৫টি সংস্থাকে চিহ্নিত করা হয়েছে ইরানের তেল, পেট্রোপণ্যের ক্রেতা হিসাবে। তালিকায় রয়েছেন দু’জন ব্যক্তিও।’’
আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের বারবাডোসের একাধিক সংস্থা, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একাধিক সংস্থা, ওশিয়ানিয়ার মার্শাল আইল্যান্ডের সংস্থা, চিনের সংস্থা, পূর্ব আফ্রিকার সিচেল্সের সংস্থা, কাজ়াখস্তানের সংস্থা, তুরস্কের একাধিক সংস্থা। ভারতের সংস্থাটির নাম ‘এলেভেট মেরিন ম্যানেজমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড’। তাদের জাহাজটির নাম বেনেডিক্ট। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে অন্তত তিন বার এই জাহাজ ইরানের তেল পরিবহণ করেছে। এই সংস্থার মালিক আকাশ অনন্ত শিন্ডের উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তিনি ভারতীয় নাগরিক।

