স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক, ২৭ অগস্ট : আচমকা বিপাকে ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ গৌতম গম্ভীর। কোভিড অতিমারীর সময়ে ওষুধ মজুত করার অভিযোগে তাঁর নামে মামলা হয়েছিল। নিম্ন আদালতের ওই বিচার প্রক্রিয়ার উপরে স্থগিতাদেশ জারি করতে অস্বীকার করল দিল্লি হাই কোর্ট। ফের ২৯ আগস্ট মামলার পরবর্তী গম্ভীরের বক্তব্য শোনা হবে।
কোভিডের সময় পূর্ব দিল্লির বিজেপি সাংসদ ছিলেন গম্ভীর। সেই সময় তাঁর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত পরিমাণ ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুতের দায়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। নিম্ন আদালতে ওই মামলার শুনানি চলছে। সেই বিচারপ্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন গম্ভীর। গত সোমবার তাঁর আইনজীবী হাই কোর্টে শুনানির সময় জানান যে, গম্ভীর প্রাক্তন সাংসদ, জাতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক, কোভিডের সময় অক্সিজেন সিলিন্ডার ও ওষুধ দিয়ে মানুষের সাহায্য করেছেন।
যার জবাবে বিচারপতি নীনা বনসল কৃষ্ণ বলেন, “যদি আপনি বিষয়টা সহজ করে বলতেন, তাহলে ভেবে দেখতাম। আপনি অনেক কিছু বলার চেষ্টা করছেন। আপনার মক্কেল, তাঁর নাম, তাঁর যোগ্যতা-পরিচয় এসব উল্লেখ করে কোর্টের সামনে কাজ চালাতে পারবেন না।” আদালতের তরফ থেকে আরও বলা হয়, “একবার স্থগিতাদেশ দিলে আপনি কোর্টে হাজির হওয়া বন্ধ করে দেবেন, তদন্তও বন্ধ হয়ে যাবে।” ৮ সেপ্টেম্বর নিম্ন আদালতে ফের শুনানি রয়েছে।
উল্লেখ্য, কোভিডের সময় গৌতম গম্ভীরের সংস্থার বিরুদ্ধে বিনা অনুমতিতে করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত ‘ফ্যাবিফ্লু’ ওষুধ প্রচুর পরিমাণে মজুত করার অভিযোগ উঠেছিল। গম্ভীর নাকি তাঁর সংসদীয় এলাকায় বিনামূল্যে এই ওষুধ বিতরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তখন ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চিকিৎসক দীপক সিং ওই বেআইনি মজুতের বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা করেছিলেন। যেখানে সাধারণ মানুষ ওষুধ পেতে বিপাকে পড়েছিল, সেখানে রাজনৈতিক নেতাদের ওষুধ মজুত করছে? অতিরিক্ত পরিমাণ ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুতের দায়ে গম্ভীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়।

