Saturday, October 31, 2026
বাড়ি রাজ্য মনোনয়ন পত্র দাখিল করতে বাধা সিপিআইএম প্রার্থীদের, ঝরল রক্ত

মনোনয়ন পত্র দাখিল করতে বাধা সিপিআইএম প্রার্থীদের, ঝরল রক্ত

মনোনয়ন পত্র দাখিল করতে বাধা সিপিআইএম প্রার্থীদের, ঝরল রক্ত

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৩১ অক্টোবর :  সুশাসন নাকি দুর্বৃত্তদের দুঃশাসন চলছে রাজ্যে? এই প্রশ্নবোধক চিহ্ন মনোনয়নপত্র দাখিলের প্রথম দিন সৃষ্টি হয়েছে রাজ্যে। শুক্রবার ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের প্রথম দিন। নির্বাচনে নির্ঘণ্ট ঘোষণার ২৪ ঘন্টাও হয়নি, কমলপুরে ঝড়ল রক্ত। মনোনয়নপত্র দাখিল করতে বাধা দিল প্রধান শাসক দল বিজেপি বলে অভিযোগ। আহত হলেন পাঁচজন সিপিআইএম কর্মী। জানা যায়, দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিল করে মনোনয়নপত্র দাখিল করার জন্য রওনা হয়েছিলেন সিপিআইএম প্রার্থী, নেতৃত্ব থেকে শুরু করে কর্মী সমর্থকরা।

বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় আসতেই বিপরীত পাশ থেকে বিজেপির দলীয় পতাকা সহ কিছু লাঠি ছাঁটা নিয়ে আক্রমণ করতে আসে। তখন সিআরপিএফ জওয়ানরা রুখে দাঁড়ায় শাসক দল আশ্রিত দুর্বৃত্তদের। তারপর মনোনয়নপত্র দাখিল করতে যেতে পারেননি সিপিআইএম প্রার্থীরা। পরবর্তী সময় ধলাইন নদীর পাশ দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ফেরার সময় শাসক দল আশ্রীত দুর্বৃত্তদের হাতে আক্রান্ত হন সি.আই.টি.ইউ মহাকুমা কমিটির সম্পাদক দেবাশীষ দাস, কর্মী সুশীল দেববর্মা, দিলীপ দাস, ভুষণ দাস। তারপর তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় কমলপুর মহকুমা হাসপাতালে।

পরবর্তী সময়ে দলীয় কার্যালয়ে সিপিআইএম ধলাই জেলা কমিটির সম্পাদক অঞ্জন দাস সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, এই ঘটনায় দেবাশীষ দাস, দিলীপ দাস এবং সুশীল দাসের অবস্থা গুরুতর। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কুলাই জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি আরো ঘোষণা করেছেন, কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের মধ্যে সিপিআইএমের ১১ জন প্রার্থী হয়েছেন। শুক্রবার ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা পর থেকে বাইক বাহিনী দ্বারা গোটা কমলপুর শহরে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে শাসক দল। শাসক দল ভালো করে বুঝতে পারছে অবাধ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে সবগুলি আসনে পরাজিত হবে তারা। তারা জনগণের রায়কে ভয় এবং গণতন্ত্রকে পাচ্ছে। তাই গণতন্ত্রকে পদদলিত করে আজকে বর্বরতামূলক কাজের ভূমিকা নিয়েছে। একটি তীব্র নিন্দা জানায় সিপিআইএমের কমলপুর মহকুমার কমিটি। আরো বলেন ২০১৮ সালের পর সবগুলি নির্বাচন প্রহসনে পরিণত করেছে শাসক দল। ২০২১ সালে নির্বাচন হতে দেয়নি। এমনটাই অভিযোগ করলেন সিপিআইএম নেতৃত্ব অঞ্জন দাস।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha